মিছিলে মিছিলে মুখরিত ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশস্থল
সভাস্থল ও শহরের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।
বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় গণসমাবেশ বিকাল তিনটায় শুরু হবার কথা থাকলেও সকাল থেকেই মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
ফরিদপুরসহ আশেপাশের জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীদের ভিড়ে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে গণসমাবেশস্থল শহরতলীর কোমরপুরের আব্দুল আজিজ ইন্সটিটিউট মাঠ। তাদের খণ্ড খণ্ড মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠেছে মাঠ ও সংলগ্ন এলাকা।
অবশ্য সমাবেশের তিন দিন আগে থেকেই এ মাঠে আসতে শুরু করেছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার রাতেই তাদের ভিড়ে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে মাঠ।
শুক্রবার রাতে গণসমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বিভাগীয় এই গণসমাবেশের দুইদিন আগে থেকে ফরিদপুরে শুরু হয়েছে বাস ও মিনিবাস ধর্মঘট। এতে ফরিদপুরের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ধর্মঘটে মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, তাদের সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে বাস-মিনিবাস ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।
বিএনপির এই সমাবেশের প্রেস উপ-কমিটির আহ্বায়ক এ বি সিদ্দিকী মিতুল বলেন, “নিত্যপণ্য আজ সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, তাদের জীবিকা এখন হুমকির মুখে। শুধু সরকারি আমলা ও সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে। সে জন্য মানুষ যে কোনো বাধাকে উপেক্ষা করে বিএনপির ডাকে সমাবেশে ছুটে আসছে।”
এর আগে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে বিএনপির পাঁচটি গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেসব সমাবেশেও নানাভাবে বাধার মুখে পড়েছেন সমাবেশমুখী নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। পরিবহন ধর্মঘট ছাড়াও নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে সভাস্থল ও শহরের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।
এছাড়া, বিএনপির এই গণসমাবেশের আগের দিনে শুক্রবার বিকালে শহরের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে গণমিছিল করেছে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ। দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়েতের আগুন সন্ত্রাস, ভাঙচুর, নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিবেশ সৃষ্টির প্রতিবাদে ওই গণমিছিল হয়।
সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির সমাবেশে দেখবেন একই লোক সব জায়গায়। কিছু সংখ্যক পেইড লোক দিয়ে আন্দোলন করা যাবে না। আন্দোলন জোরদার করতে হলে মানুষের ভালোবাসা নিয়ে রাজপথে থাকতে হবে।
আরও পড়ুন:
