Published : 15 Jul 2023, 04:33 PM
সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জামালপুরের বকশীগঞ্জে অনশন করেছে সাংবাদিকরা; পরে মেয়রের আশ্বাসে অনশন ভাঙেন তারা।
শনিবার দুপুর ১২টা থেকে উপজেলা পরিষদের সামনে এই অনশন কর্মসূচি শুরু হয়; দেড় ঘণ্টা পর বকশীগঞ্জ পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর সাংবাদিকদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন।
সাংবাদিকরা বলেন, গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যার একমাস পার হলেও এজাহারভুক্ত ১৭ আসামি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
অনশনে বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহীন আল আমীন, সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম রনি ও সাংবাদিক এমাদুল হক লালন বক্তব্য দেন।
গত ১৪ জুন রাতে বকশীগঞ্জের পাটহাটি মোড়ে একদল দুর্বৃত্ত বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভির উপজেলা প্রতিনিধি নাদিমকে পিটিয়ে ফেলে রেখে যায়; ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন বিকালে তিনি মারা যান।
‘সংবাদ প্রকাশের জেরে’ নাদিম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আলোচনায় ছিলেন সাধুরপাড়ার ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু।
সাধুরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে থেকে তিনি পরপর দুবার নৌকার মনোনয়ন নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এই চেয়ারম্যানই ‘খুনের হোতা’ বলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় বলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন বাবু।
পরে ১৭ জুন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বাবুসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এ পর্যন্ত এই মামলায় মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে মামলার আসামি বাবু চেয়ারম্যানের ছেলে রিফাতকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
২৩ জুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
পুরানো খবর:
জামালপুরে হামলায় আহত সাংবাদিকের মৃত্যুপুরানো খবর:
সাংবাদিক নাদিম হত্যা: কে এই বাবু চেয়ারম্যানপুরানো খবর:
সাংবাদিক নাদিম হত্যা: আদালতে ২ আসামির জবানবন্দি