২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
গণমাধ্যম শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক। সহকারী অধ্যাপক, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম, অধ্যয়ন বিভাগ, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভিার্সিটি।
বিধানসভার ভরাডুবির পর এবার খোদ তৃণমূলের অভ্যন্তরেই তীব্র সুনামি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে অরূপ রায়কে নতুন চেয়ারম্যান এবং অভিষেকের স্থলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে বিদ্রোহীরা কি তৃণমূল কংগ্রেসের সাম্রাজ্যকে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে দিচ্ছে?
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির আগামী অধ্যায় শুধু বিজেপি বনাম তৃণমূলের লড়াই সীমিত নেই, বরং তৃণমূলের ভেতরের লড়াইও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিজেপির অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা নাকি আঞ্চলিক রাজনীতির নতুন বিন্যাস? পাঁচ রাজ্যের ফলাফলে একদিকে যেমন পদ্ম শিবিরের ক্রমবর্ধমান দাপট স্পষ্ট, অন্যদিকে বাম রাজনীতির ঐতিহাসিক পতন, থালাপতি বিজয়ের চমক ও কংগ্রেসের আংশিক পুনরুত্থান ভারতের রাজনীতিতে কি নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তামিলনাড়ু বা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনগুলোই বলে দেবে ভারত তার বহুত্ববাদী রাজনৈতিক কাঠামো ধরে রাখতে পারবে, নাকি ক্রমশ একমুখী জাতীয় রাজনীতির দিকে এগিয়ে যাবে।
পোশাক শ্রমিক দিপুকে পিটিয়ে, গাছে ঝুলিয়ে এবং পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগে—0যে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই। আছে শুধু গুজব, উন্মত্ত জনতা আর রাষ্ট্রের নীরবতা।
সীমাঞ্চল থেকে পাটনা, বিহারের ভোট শুধু সংখ্যা নয়, এখানে আছে আবেগ, ইতিহাস ও রাজনৈতিক কৌশল। এতেই নিহিত আছে বিজেপির ভূমিধস বিজয়ের রহস্য।