০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সাংবাদিক, কলামিস্ট
গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার ও গণভোট ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। ঐকমত্যের জায়গায় বিভাজন, সংস্কারের জায়গায় শঙ্কা—এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হওয়া উচিত আস্থা ফিরিয়ে আনা।
বিভুরঞ্জন সরকারের মৃত্যু কেবল ব্যক্তিগত বেদনা নয়, বরং গণমাধ্যমের গভীর সংকটের আয়না। মালিকপক্ষ, সরকার ও সাংবাদিক– সবার দায়বদ্ধতা এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক বছর পর বাংলাদেশ এখন নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, রাজনৈতিক সমীকরণ ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ—সব মিলিয়ে এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে কি?
ভালো হতো– অন্তর্বর্তী সরকার নতুন বাজেট দেওয়ার আগেই নির্বাচন করে নতুন সরকারের হাতে দায়িত্বভার তুলে দিতে পারলে। তাহলে পুরনো বাজেট বাস্তবায়ন করেই তারা বিদায় নিতে পারতেন। তাদের এখন অভিযুক্ত হতে হচ্ছে গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বাজেট দিতে পারেননি বলে।
দেশি, বিদেশি উভয় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শর্তগুলোও প্রায় অভিন্ন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এর মধ্যে প্রধান বলে বিবেচিত হচ্ছে।
মার্চ শেষে এডিপি বাস্তবায়নের যে হার (প্রায় ৩৭ শতাংশ) দেখা যাচ্ছে, তা গত পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন। এডিপির বড় কাটছাঁটের পরও বাস্তবায়নের এ অবস্থা এককথায় উদ্বেগজনক।