Published : 28 Oct 2025, 06:32 PM
জিনিসপত্র হারানো বা নিরাপত্তাহীনতা কিংবা যে কোনো কারণে পুলিশের কাছে জেনারেল ডায়েরি (জিডি) করতে থানায় লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন নেই।
বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন জিডি সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসে এই সেবা নেওয়া যায়।
gd.police.gov.bd এবং 'অনলাইন জিডি' মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে হারানো-পাওয়া, জানমালের ক্ষতি বা অন্যান্য যোগ্য বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট থানা থেকে অভিযোগের ধরন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসএমএস বা অ্যাপ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অবহিত করা হবে।
যদি অভিযোগ জিডির যোগ্য হয় তাহলে জিডি নম্বর, তদন্তকারী কর্মকর্তার বিবরণসহ ডিজিটাল কপি আপনার কাছে পাঠানো হবে।
তবে মামলার যোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানায় উপস্থিতি দিতে হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট অবলম্বনে জানানো হল বিস্তারিত।
অনলাইন জিডি অ্যাপস ও ওয়েব পোর্টালের সুবিধাসমূহ
সহজ অভিযোগ দায়ের: থানায় না গিয়ে ঘরে বসে পুলিশকে অভিযোগ জানানো যায়।
অবস্থা জানার সুবিধা: অভিযোগের সর্বশেষ অগ্রগতি অনলাইনে দেখা যায়।
তদন্তকারীর সঙ্গে যোগাযোগ: তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে অনলাইনে যুক্ত থাকা যায়।
ডিজিটাল কপি শেয়ার করা যায়: জিডির ডিজিটাল কপি ডাউনলোড করে যে কাউকে পাঠানো যায়।
এই পদ্ধতি দূরবর্তী এলাকার নাগরিকদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এতে সময় ও পরিশ্রমের সাশ্রয় হয়।
অনলাইন জিডির জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
প্রথমবার জিডি করতে চাইলে রেজিস্ট্রেশন জরুরি। এটি কেবল 'অনলাইন জিডি' অ্যাপসের মাধ্যমে করা যায় (গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন)।
রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজন হবে-
ধাপসমূহ
১. অ্যাপ খুলে 'রেজিস্ট্রেশন'-এ ক্লিক করুন।
২. এনআইডি নম্বর, বর্তমান ঠিকানা লিখুন।
৩. লাইভ ছবি তুলুন এবং মোবাইল নম্বর (পরবর্তীতে ইউজারনেম হিসেবে কাজ করবে), ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিন।
৪. পরিচয় যাচাইয়ের জন্য মোবাইলে এসএমএসে ওটিপি (কোড) আসবে; তা ইনপুট করুন।
৫. রেজিস্ট্রেইশন সম্পন্ন হলে লগইন পেজে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
রেজিস্ট্রেইশনের পর অ্যাপ বা ওয়েবসাইট যে কোনো মাধ্যমে জিডি করা যায়।
জিডি আবেদনের ধাপসমূহ
রেজিস্ট্রেশনের পর জিডি দায়ের করা খুবই সরল। তিনটি ধাপে কাজ শেষ হয়।
প্রথম ধাপ
লগইন করে অভিযোগের ধরন নির্বাচন করুন (হারানো বা পাওয়া যাওয়া)। জেলা ও থানা বেছে নিন। ঘটনার সময়, স্থান লিখে 'পরবর্তী'-তে ক্লিক করুন।
দ্বিতীয় ধাপ
বর্তমান ঠিকানা ও ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিন। যদি কোনো ডকুমেন্ট (যেমন- ছবি বা ফাইল) থাকে, তা আপলোড করুন।
তৃতীয় ধাপ
সব তথ্য পরখ করে 'সাবমিট'-এ ক্লিক করুন। কোনো ভুল হলে 'এডিট'-এ ফিরে সংশোধন করুন। আবেদন জমা হলে লগইন করে অগ্রগতি দেখা যাবে।
যদি অভিযোগ মামলার যোগ্য হয়, তাহলে প্রিন্ট কপি বা কোড নম্বর নিয়ে থানায় যেতে হবে।
যোগাযোগ ও সতর্কতা
কোনো সমস্যা হলে যোগাযোগ করুন: ঠিকানা— ৬ ফিনিক্স রোড, ফুলবাড়িয়া, ঢাকা; ইমেইল [email protected]; মোবাইল ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ ০১৩২০০০১৪২৮।
আরও পড়ুন
ঘরে বসে ই-পাসপোর্টের আবেদন করার প্রক্রিয়া