Published : 19 Feb 2026, 05:07 PM
ভারতের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও তাদেরই টেলিকম শাখা জিও আগামী সাত বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবং ডেটা সেন্টার অবকাঠামো তৈরির জন্য ১০ হাজার ৯৮০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে।
বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ধনকুবের মুকেশ আম্বানি। নয়া দিল্লিতে আয়োজিত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এ আম্বানি বলেছেন, এ বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদী ‘দেশ গড়ার কাজে’ ব্যবহৃত হবে। যার মধ্যে থাকবে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের এআই কম্পিউটিং সক্ষমতা তৈরি। কারণ, বর্তমানে কম্পিউটিং শক্তির অভাব ও এর উচ্চমূল্য ভারতের অভ্যন্তরীণ এআই উন্নয়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্স লিখেছে, এ সপ্তাহে ভারতে আয়োজিত প্রথম বড় মাপের এআই সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন, যেখানে এআই প্রযুক্তিতে বিশ্বসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ভারতে শুরু হয়েছে এক বিশাল বিনিয়োগের জোয়ার।
ভারতের দুই শীর্ষ কোম্পানি রিলায়েন্স ও আদানি গ্রুপ আগামী কয়েক বছরে এআই ও ডেটা অবকাঠামো তৈরিতে কয়েক হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এ দৌড়ে পিছিয়ে নেই টাটাও, যাদের হাত ধরে ভারতে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা কোম্পানি ওপেনএআই।
আম্বানি বলেছেন, গুজরাটের জামনগরে মাল্টি-গিগাওয়াট সক্ষমতাওয়ালা ও এআই উপযোগী ডেটা সেন্টার তৈরি করছে জিও, যেখানে এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধেই ১২০ মেগাওয়াটের বেশি সরবরাহ চালু হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেছেন, টেলিযোগাযোগ কোম্পানিটি এমন সব এআই ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, যেমন সৌর বা বায়ু শক্তির মাধ্যমে চলবে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার ২০৩৫ সালের মধ্যে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত এআই ডেটা সেন্টার তৈরিতে ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইজও।
ক্রমাগত চাহিদা মেটাতে এখন এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ভারতের বিভিন্ন কোম্পানি। ডেটা সেন্টার, কম্পিউটিং অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরিষেবায় শত শত কোটি ডলার খরচের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তারা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার ওপেনএআই বলেছে, ‘টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস’ বা টিএসসি পরিচালিত এক ডেটা সেন্টারের প্রথম গ্রাহক হতে যাচ্ছে কোম্পানিটি।
আরও পড়ুন…