Published : 06 Jan 2026, 07:26 PM
বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দুই দশক পর প্রথমবারের মত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ভোট দিল শিক্ষার্থীরা। শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ শেষে শুরু হয়েছে গণনা।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও একটি হলের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ভোট গণনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় গণনার কার্যক্রম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ছয়টি ওএমআর মেশিনে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। হল সংসদের ভোট গণনা এখনও শুরু হয়নি।
নির্বাচন কমিশনার জুলফিকার মাহমুদ বলেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে প্রায় ৬৫ শতাংশ ও হল শিক্ষার্থী সংসদে প্রায় ৭৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হয়। তবে বাংলা বিভাগের বজলুর রশিদ মিলনায়তনে ভোট গ্রহণ শুরু হয় ৫০ মিনিট দেরিতে। পুরো নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মত। শেষ সময়ে ভোট দিতে এসে কেউ কেউ ভেতরে ঢুকতে না পারায় তাদের কণ্ঠে ছিল আফসোসের সুর।
প্রথম ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত সুস্মিতা ঘোষ হ্যাপি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ক্যাম্পাসে প্রথম ভোট দিতে পেরে আমি অনেক খুশি।”
রিজিয়া জান্নাতি নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “জীবনের প্রথম ভোট বিশ্ববিদ্যালয়ে দিতে পেরে আনন্দিত। বাসায় বসে বসে ব্যালট নম্বর লিখে লিখে মুখস্থ করেছি। আজকে এসে সে অনুযায়ী ভোট দিয়েছি। আশা রাখি যাদের ভোট দিয়েছিল তারা ইসতেহার অনুযায়ী কাজ করবে।”
ভোট গ্রহণের শুরুতেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখা গেলেও তা বেলা ১১টার দিকে কমে যায়। পরে ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভিড় ছাড়াই ভোট দেয় শিক্ষার্থীরা। এরপর আবার ভিড় বাড়তে থাকে।
কয়েকটি ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, ২টার পর থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। এতে ৩টায় ভোট গ্রহণ শেষ করার কথা থাকলেও সেটা ৪টা পর্যন্ত চলে।
বিকাল ৩টার পর বন্ধ করে দেওয়া হয় ক্যাম্পাসের প্রবেশের মূল ফটক। এতে কয়েকজনকে ভোট দিতে না পেরে আক্ষেপ করতে দেখা যায় কয়েকজন শিক্ষার্থীদের। তাদের আর ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক জুলফিকার মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের নতুন করে সময় বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা ৩টা পর্যন্ত ভোট নেব। এরপর আর কেউ ভোট দিতে পারবে না।”
নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে জগন্নাথ
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো ক্যাম্পাস নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। র্যাব, পুলিশ, ডিবি পুলিশ, বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। ভোটের সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে সজাগ ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও।
বিকেল ৩টার পর থেকে বিশেষ নিরাপত্তায় ব্যালট বাক্স কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে নিয়ে যাওয়া হয়। যারা ভোট দিয়েছেন মাইকিং করে তাদের ক্যাম্পাস ছাড়ার অনুরোধ জানায় প্রশাসন। তবে ৩টার পরও কয়েকটা কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
নিরাপত্তার কড়াকড়িতে এদিন ক্যাম্পাসের আশপাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া এদিন সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ থাকলেও কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা
এদিন সকাল পৌনে ১০টায় এক ব্যবসায়ীকে ‘ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং’ এর অভিযোগ তুলে মারধরের মধ্যে দিয়ে শুরু শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে নজরুল ইসলাম নামে ওই ব্যবসায়ী কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে মারধরের শিকার হন।
ঘটনাস্থলে দেখা যায়, কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ‘বুড়া’ বলে ধাওয়া করে। তিনি পালাতে চেষ্টা করলে তাকে পাকড়াও করে কয়েকজন মারধর করে। সেখান থেকে পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
নজরুল ইসলামের এক সঙ্গী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি আর নজরুল বাংলাবাজারে আমাদের দোকানে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন তাকে দেখে বুড়া বলে মারতে শুরু করে কোনো কারণ ছাড়াই।”
এদিকে জটলার মধ্যে থাকা একাধিক শিক্ষার্থী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইটে এসে ওই ব্যক্তি ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করায়’ তাকে পিটুনি দেওয়া হয়েছে।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে, কীভাবে তিনি সেটা করেছেন-এসব বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা শিক্ষার্থীদের কথায় পাওয়া যায়নি।
এরপর বেলা সাড়ে ১০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে মূল ফটকের বাইরে ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী ভোটের প্রচার চালানোর সময় ‘হেনস্তার মুখে’ পড়েন। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রিয়াজুলের স্ত্রী মাহিমা আক্তার অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের কর্মীরা তার ‘হিজাব ও মুখের মাস্ক খুলতে’ বলে হেনস্তা করেছেন।
রিয়াজুলও বলেন, তার স্ত্রীকে ‘হেনস্তাকারীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মী’।
কোতোয়ালি থানার ওসি বলেন, ‘হেনস্তার কোনো ঘটনা ঘটেনি’।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “হেনস্তার কোনো ঘটনা ঘটেনি। উনি সাবেক শিক্ষার্থী হয়েও প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। পরে কয়েকজন শিক্ষক আমাদেরকে জানালে, আমরা তাকে সেখান থেকে থানায় নিয়ে আসি।”
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “বিষয়টি নজরে আসার পর এটি সমাধান করে দিয়েছি।”
এ দুটি ঘটনা ক্যাম্পাসের বাইরে ঘটেছে। কিন্তু ক্যাম্পাসের ভেতরে এক শিক্ষার্থীকে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে। বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, শহীদুজ্জামান সরকার নামের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ওই শিক্ষার্থী ভোট দিতে যাওয়ার সময় তাকে ঘেরাও করেন শিবিরের সমর্থিত প্যানেলের কয়েকজন এবং পর্যবেক্ষক জুনায়েদ মাসুদ। তার ভোটার কার্ড দেখতে চান তারা।
শহীদুজ্জামান প্রিন্ট করা কার্ড দেখালেও তাতে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে ‘নাম না মেলায়’ তাকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান কয়েকজন।
কিন্তু প্রক্টর অফিসে ফের ভোটার কার্ড পরীক্ষা করে দেখা যায়, তিনি কম্পিউটার সায়েন্স ও টেকনোলজি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শহীদুজ্জামান সরকার।
প্রশ্ন করলে পর্যবেক্ষক জুনায়েদ মাসুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অষ্টম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী তৃতীয় বর্ষের সাথে পড়াশোনা করছেন। তার ভোটার কার্ড অনেকটা মলিন হয়ে যাওয়ায় চিনতে অসুবিধা হচ্ছিল।
“মূলত জবি শিবিরের সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম ভাই বহিরাগত সন্দেহে তাকে ধরে নিয়ে আসে। তারপর সাংবাদিকসহ আশেপাশের শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরলে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার ভোটার স্লিপ যাচাই করে দেখা যায় সে বর্তমান শিক্ষার্থী।”

প্রক্টর অধ্যাপক তাজাম্মুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সে বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী। কিন্তু তার ভোটার কার্ডের কিউআরকোড কাজ করছিল না। আমরা প্রক্টরিয়াল টিম বসে তাকে যাচাই করেছি। তাৎক্ষণিকভাবে তার ভোট প্রয়োগ ১০ মিনিটের জন্য স্থগিত রেখেছি। এরপর ছেড়ে দিয়েছি।”
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
মঙ্গলবার সকালে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী এ কে এম রাকিব ও ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।
জকসু নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রদল-ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেল’।
সকাল সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী একেএম রাকিব বলেন, “সকালবেলা আজকে যখন আমরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করি, তার কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাই যে একটা নির্দিষ্ট প্যানেলের যেই টোকেনে প্রার্থীর ব্যালট নম্বর আছে যা নিয়ে অনেকেই ভেতরে ঢুকছে; অথচ নির্বাচন কমিশন থেকে স্পষ্টভাবে বলা ছিল যে কোনো প্যানেল বা কোনো প্রার্থীর টোকেন নম্বর ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকবে না।”
রাকিব অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন শুরুতে টোকেন নিয়ে প্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। তবে পরে প্রমাণ উপস্থাপন করা হলে কমিশন সবাইকে টোকেন ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
নির্বাচন কমিশনের এ ধরনের আচরণকে তিনি ‘দ্বিচারিতামূলক’ বলে আখ্যায়িত করেন।
অপরদিকে পরপর দুটি সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের দিকে অভিযোগের তীর ছোড়ে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল অদম্য জবিয়ান ঐক্য।
বেলা পৌনে ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে এ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমাদের শিবির প্যানেলের যে ভোটের চিরকুট ছিল, সেটা পর্যন্ত তারা কেড়ে নিচ্ছে। নির্বাচনের ভোট গণনা করার সময় তারা বড় কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে পারে এবং বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে ক্যাম্পাসের আশপাশের অঞ্চলগুলোতে তারা বিভিন্ন ক্যাডারদের রেখেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে গেলে তারা দায়সারা উত্তর দেয় যে তারা এগুলো জানে না। কিন্তু এই তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলো লিখিত অভিযোগ দিয়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন ছাত্রদলের সঙ্গে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করছে।”

বেলা পৌনে ৩টার দিকে আরেকটি সংবাদ সম্মেলনে এ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী ও ছাত্রশিবির জবি শাখার সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ সেই ‘গোষ্ঠীর’ বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন।
সেই গোষ্ঠীর নাম না নিলেও তিনি যে ছাত্রদল-ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ানের’ দিকে ইঙ্গিত করছেন, তার অভিযোগগুলো থেকেই স্পষ্ট।
এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল-ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ানের’ এক এজেন্টের হাতে ‘প্যানেল পরিচিতি’ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ তুলেছে জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ইউটিএল।
বেলা পৌনে ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বলেন, “শহীদ সাজিদ ভবনের একটি কেন্দ্রে আমি লক্ষ্য করি, একজন এজেন্ট হাতে একটি বড় বই নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার বইয়ের অপর পাশে ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভোটারদের কপি প্যানেল পরিচিতি কাগজ ছাপানো আছে।”
তিনি বলেন, “আমি বলছি না এটা কে করেছে। আমার প্রশ্ন এই লিস্টটা নির্বাচনে দায়িত্বরতদের কাছ থেকে প্রার্থীদের কাছে কীভাবে গেল? শিক্ষকদের এত পরিশ্রমের ফলে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে কিভাবে একজন এজেন্টের কাছে এসব ভোটার লিস্ট সরবরাহ করা হয়।”
এ ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইউটিএলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
দুপুরে ভাষাশহীদ রফিক ভবনের নিচতলায় সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রইচ উদদীন।
জকসু: সময় শেষ, ভোট না দিতে পেরে আক্ষেপ কিছু শিক্ষার্থীর
জকসু: গেটের বাইরে ভোটের প্রচারে শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রী, ‘হেনস্তার মুখে’ উদ্ধার করল পুলিশ
জকসু: 'বহিরাগত' বলে শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ
জকসু: প্রশাসন 'একটি গোষ্ঠীকে' প্রাধান্য দিচ্ছে, অভিযোগ শিবির প্যানেলের
জকসু ভোট: শেষ সময়ে দীর্ঘ লাইন, অনড় নির্বাচন কমিশন
প্রথমবার শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জকসু নির্বাচন: ভোট দিয়ে উৎফুল্ল শিক্ষার্থীরা, কেন্দ্রে ভিড় কম