Published : 06 Jan 2026, 09:15 AM
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রার দুই দশক পর প্রথমবারের মত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী (জকসু) সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনের ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা একটানা বেলা ৩টা পর্যন্ত চলবে।
তীব্র শীতের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র আবাসিক হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল সংসদ নির্বাচনও হচ্ছে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে সাড়ে ১৬ হাজার ৬৪৫ জন শিক্ষার্থীর ভোটে এক বছরের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদ গঠিত হবে। জকসুর ২১টি পড়ে জয় পেতে চারটি প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ১৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সকালের শুরুতেই ভোট দিতে আসেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী অংকিতা সাহাম। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, 'জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার প্রথম ভোট। কাজেই আনন্দ উচ্ছ্বাস থাকবেই। শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে যারাই দায়িত্বে আসবে, তাদের স্বাগত জানাব।”
কলেজ থেকে ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার পর প্রথমবার জকসুর এই নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোস্তফা হাসান বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে ছয়টি ওএমআর মেশিনে ভোট গণণা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ৩০ ডিসেম্বর। কিন্তু সেদিন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভোট এক সপ্তাহ পিছিয়ে যায়।

কী থাকছে ব্যালট পেপারে?
কেন্দ্রীয় সংসদে তিন পৃষ্ঠার ব্যালট পেপারে ভোটাররা মোট ২১টি পদে ভোট দিতে পারবেন।
ব্যালট পেপারের বাঁ পাশে পদের ক্রম অনুযায়ী ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরের সঙ্গে প্রার্থীর ব্যালটের সংখ্যাসূচক নম্বর থাকবে (যেমন ভিপি পদে ব্যলট (A 11))। তার ডানপাশের ঘরে থাকবে প্রার্থীর পূর্ণ নাম ও শেষ ঘরে প্রার্থীরা ভোট দেবেন। প্রত্যেক পদে পছন্দের প্রার্থীর নামের ডান পাশে ছোট চতুর্ভুজাকার ঘরে ক্রস (X) চিহ্ন দিয়ে ভোট দিতে হবে।
ব্যালটের প্রথম পাতায় শিক্ষার্থীরা ভিপি, জিএস, এজিএস, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রপ্যুক্তি সম্পাদক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ভোট দিতে পারবেন।
দ্বিতীয় পাতায় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক, পরিবহন সম্পাদক, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক ও পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে প্রার্থীরা ভোট দিতে পারবেন।
শেষ পাতায় সাতটি নির্বাহী পদে একজন ভোটার মোট সাতজন প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচনের প্যানেল কাদের
নির্বাচনে মোটাদাগে চারটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এসব প্যানেলের বাইরে কেন্দ্রীয় সংসদে অন্যান্য প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
>> ছাত্রদল-ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত 'ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান'
>> ছাত্রশিবির-আপ বাংলাদেশ-ইনকিলাব মঞ্চ সমর্থিত 'অদম্য জবিয়ান ঐক্য' প্যানেল
>> ছাত্রফ্রন্টের সঙ্গে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ‘মওলানা ভাষানী ব্রিগেড’
>> ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’

ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে কারা?
নির্বাচনে সহ সভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন মোট ১২ প্রার্থী।
তার মধ্যে ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থী একেএম রাকিব (A-11); অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম (A-06) ; ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের কিশোয়ার আনজুম সাম্য(A-09); মাওলানা ভাষানী ব্রিগেড প্যানেলের ভিপি প্রার্থী গৌরব ভৌমিক। বাকি ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯জন। তাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা(B-07); অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ(B-05); ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের ফয়সাল মুরাদ(B-04) ও মওলানা ভাষানী ব্রিগেড প্যানেলের জিএস প্রার্থী ইভান তাহসীভ(B-09)। বাকি ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন (B-03) ব্যালট নং এ শাহ আহমাদ রেজা।
আর এজিএস পদে লড়ছেন আটজন। তাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থী বি এম আতিকুর রহমান তানজিল (C-06); অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী মাসুদ রানা(C-02); ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের মো. শাহীন মিয়া(C-03) ও মাওলানা ভাষানী ব্রিগেড প্যানেলের এজিএস প্রার্থী মো. শামসুল আলম মারুফ(C-01)। বাকি ৪ জন স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোট দিতে হবে যেভাবে
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগকে পৃথক ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগের কেন্দ্রে ভোট দেবেন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে আলাদাভাবে ডিজিটালি ভোট গণনা সম্পন্ন হবে।
নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে ভোট প্রদানের সুবিধার্থে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নারী শিক্ষক সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
ভোটার তালিকায় শিক্ষার্থীদের নামের পাশে সংযুক্ত কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ভোটার আইডি পাওয়া যাবে; ফলে যাদের আইডি কার্ড নেই তারাও এই ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন।
পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগের নির্দিষ্ট বুথে কেন্দ্রীয় সংসদে ভোট দিতে পারবেন। আর হল সংসদের ভোট হবে শহীদ সাজিদ ভবনের নিচতলায় বামপাশে অবস্থিত ভোট কেন্দ্রে।
কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের ভোট দুটি আলাদা ব্যালটে নেওয়া হবে। আবাসিক হলের ছাত্রীরা দুটি ব্যালটে হল সংসদের ১৩ পদের ভোটসহ মোট ৩৪টি ভোট দিতে পারবে। আর অনাবাসিক ভোটাররা শুধু কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদে ভোট দিতে পারবেন।
ভোটাররা প্রার্থীর ডানপাশের বর্গাকার ছোট বক্সে ক্রস (X) চিহ্নের মাধ্যমে ভোট দেবেন।
• ব্যালট: ওমএমআরে ভোট, গণনা হবে ৬টি মেশিনে
• জকসু ওএমআর শিট: ৩ পাতার
• হল সংসদের ওএমআর শিট: ১ পাতার
• ব্যালটে থাকবে: পদের নাম, ব্যালট নম্বর, প্রার্থীর নাম এবং ভোট দেওয়ার ঘর
• ফল ঘোষণা: কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে

হল সংসদ নির্বাচন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল মেয়েদের জন্য একটি হল রয়েছে। নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হল সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রীসংস্থার ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়েছেন জান্নাতুল উম্মি তারিন। বামদের ‘রোকেয়া পর্ষদ’ প্যানেল থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন খাদিজা তুল কুবরা। আর ছাত্রদলের ‘অপরাজিতার অগ্রযাত্রা’ প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়েছেন ফারজানা আকতার রিমি।
সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সুমাইয়া তাবাসুম লড়ছেন জবিয়ান ঐক্য প্যানেল প্যানেল থেকে, রোকেয়া পর্ষদ থেকে প্রার্থী হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস নাদিয়া রোকেয়া এবং অপরাজিতার অগ্রযাত্রা প্যানেল থেকে লড়ছেন সাদিয়া সুলতানা নেলি।
এজিএসে পদে জবিয়ান ঐক্য প্যানেল প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়েছেন রেদওয়ানা খাওলা এবং শেখ তাসলিমা জাহান মুন লড়ছেন অপরাজিতার অগ্রযাত্রা প্যানেল থেকে।
এ সংসদ নির্বাচনে কেবল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পারবেন। হল প্রাধ্যক্ষ আঞ্জুমান আরা জানিয়েছেন, হল সংসদে মোট ১২৪২ জন ভোটার রয়েছেন। তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে হল সংসদে ১৩ জন নির্বাচিত হবেন।

কড়া নিরাপত্তায় ভোট
ভোট শুরুর আগে সকাল ৮টায় র্যাবের তত্ত্বাবধানে ডগ স্কোয়াড সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে তল্লাশি চালায়।
ক্যাম্পাসের ভেতরে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি এক প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। আর মূল ফটকের বাইরে পুলিশ, র্যাব, বিজিবির পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।
ভিক্টোরিয়া পার্কে ডিএমপি কন্ট্রোল রুম বসিয়ে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশ।
এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বিশ্ববিদ্যায়ের রোভার স্কাউট গ্রুপ, বিএনসিসি ও রেঞ্জার ইউনিট। রোভার স্কাউট ও বিএনসিসির ৮০ জন করে মোট ১৬০ জন এবং রেঞ্জার ইউনিটের ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “ভোট গ্রহণের শুরুতে র্যাবের ডগ স্কোয়াড পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেছে। ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি সহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার টিম দায়িত্ব পালন করছেন। আর সাথে সাথে আমাদের প্রক্টোরিয়াল টিম।”
প্রতিটি কেন্দ্রে একজন রিটার্নিং কর্মকর্তার পাশাপাশি ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় দুই থেকে তিনজন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।

সবশেষ ভোট কবে
জগন্নাথ পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপ পাওয়ার আগে কলেজ থাকাকালে মোট ১৪ বার ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে।
এর মধ্যে সর্বপ্রথম নির্বাচন হয় ১৯৫৪-৫৫ শিক্ষাবর্ষে। সবশেষ ১৯৮৭-৮৮ শিক্ষাবর্ষে অর্থাৎ ১৯৮৭ সালে ছাত্রসংসদের ভিপি নির্বাচিত হন মো. আলমগীর সিকদার লোটন ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন জাহাঙ্গীর সিকদার জোটন।
২০০৫ সালে কলেজ থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫’ এ ছাত্র সংসদ সম্পর্কিত কোনো ধারা না থাকায় প্রতিষ্ঠার পর একবারও জকসু নির্বাচন হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বহুবার নির্বাচন দাবি করলেও ‘আইনি জটিলতার’ কারণে তা আয়োজন করা যায়নি। শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের মুখে গত ২৮ অক্টোবর জকসু নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।
নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গত ৫ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। শুরুতে ভোটগ্রহণের জন্য ২২ ডিসেম্বর দিন ঠিক করা হলেও ভূমিকম্পে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় ৮ দিন পিছিয়ে তা ৩০ ডিসেম্বর করা হয়।
সেদিন সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত প্রথম জকসুর ভোট হওয়ার কথা ছিল। এদিনই ভোর ৬টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মারা যান।
এ খবরে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট জরুরি সভা করে ভোট স্থগিত করে।
ভোট স্থগিতের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভ শুরু করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য। তাদের সাথে যোগ দেয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত প্যানেল 'ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান' ও ছাত্রফ্রন্ট সমর্থিত 'মওলানা ভাষানী ব্রিগেড' প্যানেল।
তারা প্রথমে উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে নির্বাচন স্থগিতের ক্ষোভ ঝারেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমের ওপর। তারা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।
জকসু নির্বাচন বানচালের অভিযোগ এনে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ বিএনপিপন্থি শিক্ষক নেতা ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক রইছ উদদীনের কক্ষ ঘেরাও করে একদল শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখায়।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন সেখানে গেলে তাকে লক্ষ্য করেও ‘দালাল, দালাল’ স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ অধ্যাপক রইছের।
নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওইদিন আরেকটি সিন্ডিকেট বৈঠকে ভোটের তারিখ পুণনির্ধারণ হয় নতুন বছরে ৬ জানুয়ারি।
পুরনো খবর
৮ দিন পিছিয়ে জকসু ভোট ৩০ ডিসেম্বর
জকসু নির্বাচন: 'ভুয়া' অভিযোগকারীর কথায় ৬ প্রার্থী বাদ
জবি শিক্ষার্থী সংসদের প্রথম নির্বাচন ২২ ডিসেম্বর
২৭ নভেম্বর ভোটের তারিখ রেখে জকসু নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা