২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
“এটা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট, এর সঙ্গে ছাত্রদের স্বার্থের সম্পর্ক নেই, এগুলো স্রেফ ক্যাম্পাস দখলের চেষ্টা,” বলেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সালমান।
হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বলেন, “তল্লাশির বিষয়টি আমার জানা ছিল না।”
তিনটি প্যানেলে মোট ৩৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোট হওয়া ২১ পদের মধ্যে শিবিরের হাতছাড়া হয়েছে সম্পাদকীয় তিনটি এবং দুটি সদস্য পদ।
এর আগে দেশের চারটি বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃত্ব তাদের হাতে যায়। তাদের সামনে এককভাবে কোথাও দাঁড়াতে পারেনি কোনো সংগঠন। পাত্তা পায়নি বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলও।
ফল ঘোষণার সময় প্রথম ভাগের কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে লড়াইয়ে ছিলেন ছাত্রদলের প্রার্থীরা; পরে তারা পিছিয়ে পড়েন।
“আমাদের কোনো ধরনের চিরকুট কিংবা প্রচারপত্র কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়নি। কিন্তু একটা বিশেষ দলের বই আকারে ছাপানো কাগজকে ঢুকতে দিয়েছে।”
“আমাদের নতুন করে সময় বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা ৩টা পর্যন্ত ভোট নেবো। এরপর আর কেউ ভোট দিতে পারবে না।”