১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
সম্পাদক, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি (ছোটকাগজ)। ‘যার যার বাঁশি ও বন্দুক’ ও ‘শিশিরের বুকে শিস দিয়ে’ তার প্রকাশিত দুটি কবিতার বই। ‘আমাদের শিক্ষা: বিচিত্র ভাবনা’ ও ‘আমাদের শিক্ষা: নানা চোখ’ যৌথভাবে সম্পাদিত শিক্ষাবিষয়ক দুটি প্রবন্ধ-সংকলন। তিনি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখে থাকেন। পেশায় একজন সমাজকর্মী।
বর্তমান পৃথিবী যখন আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে, তখন প্রথাগত সাহিত্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা জীবনানন্দ দাশের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আমাদের নতুন করে ভাবায়। ১৯৪৮ সালে যখন বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রের ঝনঝনানি আর ঠান্ডা যুদ্ধের সূচনা হচ্ছে, তখন এই কবি বিশ্বরাজনীতি ও পারমাণবিক যুদ্ধ নিয়ে কী ভাবছিলেন?
আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা আজ জ্ঞানচর্চার বদলে প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে। আর এই প্রতিযোগিতার শুরুটা হয় শিশুর টিফিন বক্স আর স্কুলের গেট থেকেই। একদিকে দামি পেস্ট্রি-বার্গার আর ব্যক্তিগত গাড়ি, অন্যদিকে স্রেফ আলুভাজি আর পায়ে হেঁটে স্কুলে আসা সহপাঠী। এই সব দৃশ্য শিশুদের মনে কী ধরনের বিষক্রিয়া তৈরি করছে?
বৈশ্বিক রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ কি এখন ওয়াশিংটন থেকে বেইজিংয়ের হাতে চলে যাচ্ছে? ট্রাম্প ও পুতিনের সাম্প্রতিক চীন সফর এবং শি জিনপিংয়ের ‘ক্ষমতা-ত্রিভুজে’র শীর্ষে আরোহণ সেই বার্তাই দিচ্ছে।
চীনের বিশ্লেষক জুয়েকিন জিয়াঙের সেই তিনটি আলোচিত ভবিষ্যদ্বাণী—ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং আমেরিকার পরাজয়—কি তবে অক্ষরে অক্ষরে ফলতে যাচ্ছে?
বাংলার লোকজ ধারণা অনুযায়ী যার মান ও হুঁশ আছে সেই মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল পরিচালিত গণহত্যা ও হামলার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তারাও এখন যুদ্ধবাজ চক্রের আক্রোশের শিকার হচ্ছে।