০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জন্ম ঢাকায়, ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭০। থাকেন পৈতৃক নিবাস সোনারগাঁয়ে। পেশা ফ্রি-ল্যান্স গবেষক। মুক্ত-চিন্তক, সংস্কৃতিকর্মী, কাজ করেন মানুষের অধিকার নিয়ে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ছয়টি।
চাপে পড়ে সংগীত শিক্ষকের পদ বাতিল করা হলেও, সরকার ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার’ মতো ব্যাখ্যা দিয়ে বলছে, ‘পরিকল্পনায় ত্রুটি ও বৈষম্যের’ কথা।
মুর্শিদাবাদের পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে মুহাম্মদ ইউনূস—শিল্প নাকি বিদ্বেষ? দুর্গাপূজার শুভ-অশুভ লড়াই কি কূটনৈতিক সংকটকে উসকে দিচ্ছে?
রাষ্ট্রের কাছে শোক প্রকাশ কি শুধু সৌজন্য, নাকি নৈতিক দায়িত্ব? বদরুদ্দীন উমরের মৃত্যু এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বেছে বেছে শোক প্রকাশ–এ প্রশ্নকে আরও প্রকট করেছে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে একের পর এক সংখ্যালঘু পাড়া পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রামু থেকে গঙ্গাচড়া পর্যন্ত একই চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। নীরব সমাজের দায় কী বাড়ছে না?
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘পোশাকবিধি’ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকখাতের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি নীতি-পুলিশের খাতায় নিজেদের নাম লেখাতে চেয়েছিল কিনা—এ প্রশ্ন থেকেই যাবে?
মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের মৃত্যু শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়—এটি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতার উদাহরণ। শিশুদের ছেঁড়া খাতা, পোড়া ব্যাগ আর কান্নার ধ্বনি মিলিয়ে গড়ে ওঠে এক মর্মন্তুদ প্রতীক—যেখানে রাষ্ট্রের জবাবদিহি নেই, সেখানে খাতার মতো স্বপ্নও পুড়ে ছাই হয়ে যায়।