Published : 07 Jul 2026, 12:29 PM
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত কার্গোর ডেলিভারি শুরু করতে না পারায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট কমে গেছে।
এর প্রভাবে সারাদেশে সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়বেন বলে মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি।
দেশে আমদানি করা এলএনজি মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। সেখান থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা, শিল্প, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকের কাছে গ্যাস যায়।
ফলে ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউ থেকে সরবরাহ কমলে শুধু বাসাবাড়ির রান্নার গ্যাস নয়, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনেও সংকট তৈরি হতে পারে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে দৈনিক ১১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। তবে কারিগরি, আবহাওয়া ও সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে সাধারণত ৮০০ থেকে ১০০০ এমএমসিএফডির মত গ্যাস পাওয়া যায়।
কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত কার্গোর ডেলিভারি শুরু করতে না পারায় সরবরাহ ৫০০ এমএমসিএফডির কাছাকাছি নেমে এসেছে বলে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় কয়েক বছর ধরে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। এ অবস্থায় এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের ওঠানামা হলে পাইপলাইনে চাপ দ্রুত কমে যায়। বিশেষ করে যেসব এলাকায় এমনিতেই চাপ কম থাকে, সেখানে গ্রাহকের ভোগান্তি বেশি হয়।