০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“সহযোগিতা জোরদার হলে বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা ও সহনশীলতা বাড়বে।”
সুইজারল্যান্ড থেকে দুই কার্গো মিলবে জিটুজি পদ্ধতিতে; আর তিন কার্গো মিলবে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায়।
চলতি মাসে ইরানের নির্ধারিত পথে হাতে গোনা যে কয়েকটি জাহাজ প্রণালিটি পার হয়েছে তার মধ্যে এগুলোও আছে।
জ্বালানি খাতের অস্থিরতা সামাল দিতে বাংলাদেশকে আরও ৩৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক।
এর আগেও সমপরিমাণ অর্থায়ন করেছিল সংস্থাটি।
র্যাবের জন্য ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস কেনা হবে।
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিও দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
বাসাবাড়ির পাশাপাশি সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে মানুষকে গ্যাসের জন্য ভুগতে হবে।