১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাবার চাকরির সুবাদে রংপুর, বগুড়া, নোয়াখালী, জামালপুর ও ঢাকায় বড় হয়েছেন। বর্তমানে থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (এআইটি) পরিবহন প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর গবেষণা করছেন। সড়ক ও পরিবহন অবকাঠামোকে একই সঙ্গে জনবান্ধব ও পরিবেশবান্ধব করে তোলার উপায় খুঁজে বের করা নিয়েই তার কাজ। মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষে ২০০৯ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। সে বছরই সেখানে শিক্ষকতায় যোগ দেন এবং বর্তমানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
দোতলার ধোঁয়া, নিচতলার ফুসফুস! ক্ষমতার রাজনীতি বুঝতে মোটা বই লাগে না, বহুতল ভবনের তলাগুলোর ব্যবধানই যথেষ্ট।
হাতির চলাচল-পথ বদলাবে না। সড়কও সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। তাহলে সমাধান কী? শেরপুর সীমান্ত সড়কে বারবার ট্রাফিক সাইন উপড়ে পড়ার ঘটনা আমাদের শেখাচ্ছে যে, অবকাঠামো পরিকল্পনা হতে হবে বন্যপ্রাণী-বান্ধব। বড় বাজেট নয়, দরকার কেবল সঠিক দূরদর্শিতা আর আন্ত-দপ্তরীয় সমন্বয়।