১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জন্ম যশোর জেলায়। বর্তমানে তিনি জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি আন্তঃদেশীয় অভিবাসন নিয়ে গবেষণা করছেন। প্রবাসে যাওয়ার আগে বাংলাদেশে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আধা দশকেরও বেশি সময় ‘প্রথম আলো’ পত্রিকায় কাজ করেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রিকায় তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন শেষে জার্মানির ইয়োহানেস গুটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিউম্যান জিওগ্রাফি: গ্লোবালাইজেশন, মিডিয়া অ্যান্ড কালচার’ বিভাগ থেকে এম.এ. সম্পন্ন করেন। যোগাযোগ: [email protected]
ভাস্কর্য ভাঙচুর, মাজারে হামলা থেকে শুরু করে বাংলাদেশ বেতার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের পোশাকবিধি সংক্রান্ত বিতর্ক—এগুলো কি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা, নাকি আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় সুপরিকল্পিতভাবে ঢুকে পড়ছে ‘সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার’? ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কি তবে ‘বাংলাদেশী সংস্কৃতি’র মোড়কে সেই পুরোনো আগ্রাসনই ফিরে আসছে নতুন রূপে?
বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় অধ্যাপক স্যান্ডের বর্ণিত ‘ধর্ষণপ্রবণ’ সমাজের স্পষ্ট লক্ষণ দৃশ্যমান। এখানে ধর্ষণের মতো অপরাধ ঘটলে প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনপরিসরে অপরাধীর পক্ষে সাফাই গাইতে দেখা যায়।
বাংলাদেশের জনগণ যে গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য দিনের পর দিন লড়াই করে আসছে, সেটি একটি সংকর ব্যবস্থায় এসে থিতু হয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে এই পরিস্থিতিকে অ্যানোক্রেসি বা ‘নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ বলা হয়।
ধর্মনিরপেক্ষতা কি তবে বাঙালির মন থেকে মুছে যাচ্ছে? কেন মানুষ প্রগতিশীল রাজনীতির চেয়ে অলৌকিক পুরস্কারের প্রতিশ্রুতিতে বেশি আস্থা রাখছে?
যে রোগটি প্রায় নিরাময়যোগ্য, ওই রোগে এত শিশুর প্রাণ যাওয়া কি কেবলই মৃত্যু, নাকি রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড?
চলমান যুদ্ধের ফলাফল এখনও অনিশ্চিত। তবে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল অথবা ইরান—যে পক্ষই জয়ী হোক না কেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্ত্র প্রতিযোগিতা থামার সম্ভাবনা খুব কম।