১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
জন্ম ১০ নভেম্বর ১৯৮২, বগুড়ায়। পড়াশোনা করেছেন ধানমন্ডি গভ. বয়েজ হাই স্কুল, নটরডেম কলেজ ও ইসলামিক ইউনিভাসিটি অব টেকনোলজি, গাজীপুরে। বিষয় ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং। ওসান কনজারভেন্সি ও ব্যানফ মাউন্টেইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ওয়ার্ল্ড ট্যুরের বাংলাদেশ সমন্বয়ক। ভ্রমণ, অভিযান ও পরিবেশ নিয়ে লেখালেখি করছেন দুই দশকের বেশি সময় ধরে। পরিবেশ নিয়ে গবেষণা ও গণসচেতেনতার জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ‘কানেক্ট ফর ক্লাইমেট’ পুরস্কার ও আলোকচিত্রী হিসেবে আইইউসিএনের ‘বায়োডাইভারসিটি ইন ফোকাস’ পুরস্কার লাভ করেছেন। আজীবন স্কাউট। দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সংখ্যা ছয়টি। প্রকাশিত বই পাঁচটি: ‘এভারেস্ট’ (২০০৫ পারিজাত, ২০১৫ ঐতিহ্য), ‘দ্য টার্টেল নেক’ (২০০৮ বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস), ‘পৃথিবীর পথে বাংলাদেশ– সাইকেলে আলস্কা থেকে টরোন্টো’ (২০২২ দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড), ‘পৃথিবীর পথে বাংলাদেশ– সাইকেলে আমেরিকার সিয়াটল থেকে ওয়াশিংটন ডি.সি’ (২০২২ বেঙ্গল পাবলিকেশনস), ‘পৃথিবীর পথে বাংলাদেশ– সাইকেলে মাদাগাস্কার’ (২০২৫ ঐতিহ্য)।
সাইকেল কোনো বিলাসপণ্য নয়, এটি লাখো মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মাধ্যম। শিক্ষার্থীর স্কুল-কলেজে যাওয়া, শ্রমিকের সময়মতো কারখানায় পৌঁছানো কিংবা ডেলিভারি কর্মীর রুটি-রুজির চাকা ঘোরে এই সাইকেলেই। একে দামি করার পেছনে সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্য কতখানি?
প্লাস্টিক আগুনে দিলে শেষ হয়ে যায় না, শুধু রূপ বদলায়। বাস্তবে এটি শুধু ময়লা সরানো নয়; ধীরে ধীরে শহরের বাতাসকে বিষাক্ত করে তোলার আত্মঘাতী প্রক্রিয়া।
দুর্নীতি সব সময় মন্ত্রিসভায় জন্ম নেয় না, কেননা তার বীজ অনেক আগেই ফুটপাতে পড়ে থাকে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে জেন্ডার দৃষ্টিভঙ্গি প্রায় অনুপস্থিত। শিল্পগোষ্ঠী ও করপোরেট সাফল্যের গল্পের ভিড়ে আমরা খুব কমই দেখি, জেন্ডার কীভাবে ব্র্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতা, নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার ও বাজারে বৈধতা গঠনে ভূমিকা রাখে।
মতলব দেখিয়েছিল, একটি ক্ষুদ্র গ্রামীণ পরীক্ষাগার পুরো দেশের স্বাস্থ্যনীতি বদলে দিতে পারে। সেন্ট মার্টিনও ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় ও নগর বর্জ্য সংকটের সমাধানের নির্দেশক মডেল হয়ে উঠতে পারে।
নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচনের ফলাফল আমাদের শেখায়, কখনো কখনো ‘অযৌক্তিক’ কৌতূহলই সবচেয়ে যৌক্তিক হয়ে ওঠে।