Published : 09 Apr 2026, 03:00 PM
বগুড়া-৬ সদর আসনে উপনির্বাচনে আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মালতীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
একটি দলের প্রতি দুর্বল হয়ে দলীয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দাবি করে আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, “মালতীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আগাম ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। ভোট শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ফলাফল শিটে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।”
তার ভাষ্য, সরকারি কর্মকর্তা যদি জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নেয়, তার ফল কী হয়, সেটাই মানুষ দেখছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নামুজা এলাকায় তার এক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে এবং পাঁচবাড়িয়া এলাকায় নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। কয়েকটি কেন্দ্রে তার সমর্থকদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
নারী ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে এই প্রার্থী বলেন, “নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।”
এছাড়া এ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলেও অভিযোগ করেছেন জামায়াতের প্রার্থী।
প্রশাসনের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশাসনের কিছু অংশ দায়িত্বশীল আচরণ করলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা ‘ম্যানেজড’।
তবে এসব পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি ভোট বর্জন করবেন না বলে জানান।
এদিকে মালতীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নুর ইসলাম বলেন, “ভোটকেন্দ্রে কোনো এজেন্টকে জোর করে স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। ফলাফল শিটে সবাই স্বাক্ষর করেছে যাতে শেষ সময়ে দ্রুত ফলাফল প্রস্তুত করা যায়। আর আমি তাতে স্বাক্ষর করিনি।
তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি ভুল হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সেটি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, নতুন শিট পেয়েছি সেটাতে ফলাফল তৈরি করা হবে।”
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, “জামায়াত প্রার্থীর কোনো অভিযোগ এখনও পাইনি৷ তার কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে আমাদের জানালে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আগের সংবাদ
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী