Published : 09 Jul 2026, 06:43 PM
আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের রাউন্ড অব সিক্সটিন ম্যাচের পর ফিফা বড় দলগুলোর প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে কি না, সেই বিতর্ক এখন তুঙ্গে। ফুটবলার থেকে কোচ, রাজনীতিবিদ থেকে দর্শক—সবাই এখন নানা ভাগে বিভক্ত। অনেকের মতে, “ফুটবল বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করে” স্লোগান তোলা ফিফা নিজেই এখন আর নিরপেক্ষ নয়। সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ তো আগে থেকেই ছিল; ২০১৫ সালে ফিফার দুনিয়া কাঁপানো দুর্নীতি প্রমাণ হওয়ার পর আট বছরের জন্য বহিষ্কার হয়েছিলেন ফিফা ও উয়েফার সভাপতি। এবারের বিশ্বকাপে সেই ফিফা বর্ণবাদ, বৈষম্য এবং পক্ষপাতসহ নানা দোষে অভিযুক্ত হচ্ছে।
ইরানের কথাই ধরুন। প্রথমে ভিসা না দেওয়ার চেষ্টা থেকে শুরু করে ম্যাচের আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্রে ঘুমাতে না দেওয়া, আবার ম্যাচ শেষে হাজার কিলোমিটার দূরের মেক্সিকোতে ফিরে যেতে বাধ্য করাসহ এয়ারপোর্টে তল্লাশির নামে হয়রানি—গোটা বিশ্বকাপজুড়ে এই দলটির সঙ্গে কী না করা হয়েছে!
কোনো ম্যাচ না হেরেও বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির বস মার্কওয়েন মুলিনের “বাঁচা গেল, ইরানি টিমকে আর নিরাপত্তা দিতে হবে না” বলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা স্পষ্টতই বর্ণবাদী মন্তব্য। কিন্তু এর জন্য ফিফাকে ন্যূনতম ব্যাখ্যাও দিতে হয়নি।
সোমালিয়ার রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতান ফিফার আমন্ত্রণে বিশ্বকাপ পরিচালনা করতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। কিন্তু বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকার পরও মার্কিন ইমিগ্রেশন ও বর্ডার কর্তৃপক্ষ তাকে দেশটিতে ঢুকতে দেয়নি। তাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাবের সঙ্গেও মিলিয়ে ফেলা হয়েছে; কিন্তু ফিফা নির্বিকার।
বসনিয়ার বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান। খুব স্বাভাবিকভাবেই বালোগানের পরের ম্যাচ খেলতে পারার কথা নয়। কিন্তু ফিফার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ‘কথা বলার’ পর রাতারাতি সেই সিদ্ধান্ত পাল্টে গেছে। বালোগানের শাস্তি স্থগিত করে জানানো হয়, বেলজিয়ামের বিপক্ষে পরের ম্যাচে তিনি খেলবেন।
এই সিদ্ধান্তে গোটা ফুটবল বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে যায়। ক্ষুব্ধ বেলজিয়াম আপিল করলেও সেটি টেকেনি। খোদ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। পার্লামেন্টের অন্তত ৩৫ জন সদস্য বিবৃতি দিয়ে ফিফার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাও নাক গলিয়েছে সেখানে, “ফিফা এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ফুটবলের সমস্ত সীমারেখা অতিক্রম করেছে।”
আফ্রিকান দলগুলোর সদস্যদের তল্লাশির নামে হয়রানি, বিলম্বে ভিসা দেওয়া, ইমিগ্রেশনে বসিয়ে রাখাসহ নানা ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। ইরাক জাতীয় দলের অফিশিয়াল আলোকচিত্রীকে ভিসা দেওয়া হয়নি। ইরান ব্যাকরুম স্টাফ ছাড়া গোটা টুর্নামেন্ট খেলতে বাধ্য হয়েছে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার মতে, শৃঙ্খলাজনিত সব সিদ্ধান্ত স্বাধীন বিচারিক সংস্থাই নিয়েছে এবং এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়নি।
কিন্তু বালোগানের লাল কার্ড নিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্পের বিবৃতির পর সেই দাবি আর টেকেনি। ট্রাম্প বলেছেন, “আমি তো শুধু সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য বলেছিলাম, কারণ আমার মনে হয়নি যে ওটা ফাউল ছিল।” এরপরই সমালোচকেরা রীতিমতো হামলে পড়েছেন। তাদের কথা হলো, মাঠের খেলায় ফাউল হয়েছে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন এমন একজন, যার ফুটবল নিয়ে কোনো জ্ঞানই নেই?
এবারের বিশ্বকাপে মাঠে এরকম বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ঘটনা অনেক। পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার দুটি গোল বাতিল হয়েছে। বেলজিয়াম বনাম সেনেগালের ম্যাচে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে সাদিও মানেদের হৃদয় ভেঙে গেছে। এরকম আরও আছে।
এসব দেখে দর্শক থেকে শুরু করে সাবেক খেলোয়াড়, কোচ থেকে রাজনীতিবিদ—সবারই ধারণা, ফিফা বড় দলগুলোর প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে। সেনেগালের ম্যাচ নিয়ে সুইডিশ কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ সরাসরি বলে ফেলেছেন, “মাঠের মধ্যে সবার সামনে সেনেগালের সঙ্গে ডাকাতি করা হয়েছে।”
তবে সব অভিযোগকে ছাপিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের ম্যাচটি, যেটি এখন দুনিয়াজুড়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। বাংলাদেশে এই দলের বিরাট ফ্যানবেইস থাকার কারণে এ নিয়ে কথা বলা ঝুঁকিপূর্ণও। হুমায়ুন আজাদ তো বলেই গেছেন, “ভক্তের মন জন্মান্ধ! সেই চোখে দেখে দেবতার সহস্র রূপ!”
দুই গোলে পিছিয়ে থেকে আর্জেন্টিনা যেভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে, তা ছিল দুর্দান্ত—সত্যিকারের বড় দলের ঐতিহাসিক কামব্যাক। কিন্তু আর্জেন্টিনার পাওয়া প্রথম পেনাল্টিটি আদৌ পেনাল্টি পাওয়ার মতো ফাউল ছিল কি না, কিংবা গোটা ম্যাচে মিশরের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে মুহুর্মুহু হলুদ কার্ড দেখানোর দরকার ছিল কি না, সেসব আলোচনাকে ছাপিয়ে গেছে মিশরের বাতিল হওয়া দ্বিতীয় গোলটি। যে বেসিক প্রশ্নটি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, সেটি হলো—ফাউলের প্রায় মিনিটখানেক পরে হওয়া গোল যদি ভিএআরের (VAR) সাহায্যে বাতিল করা যায়, তাহলে ম্যাচের শেষ গোলটির আগে মিশরের খেলোয়াড় সালাহর বিরুদ্ধে করা ফাউলটি কেন অন্তত একবারের জন্য ভিএআরে দেখার দরকার মনে করলেন না রেফারি?
জনপ্রিয় ফুটবল বিশ্লেষক চ্যাডউইক মনে করেন, “পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক। মাঠের রেফারি যেখানে সরাসরি কোনো ফাউল দেখেননি, সেখানে মিশর গোল করার পর কেন ভিএআর অনেক পেছনে গিয়ে ঘটনাটির রিভিউ করল, তা বোধগম্য নয়।”
কাতারে ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালের (আর্জেন্টিনা–ফ্রান্স) রেফারি ফার্নান্দো গুয়েরেরোর মতও একই রকম, “মিশরের গোলটি বাতিল করে রেফারি এবং ভিএআর রুম মারাত্মক ভুল করেছে।”
ভিন্ন খেলার কিংবদন্তি বা রাজনীতিবিদরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। আলোচনায় যোগ দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু ও বিশ্লেষক গ্যারি ক্যাসপারভ। ফিফাকে ধুয়ে দিতে গিয়ে তার মত হলো, “অনেক দূরের এক ফাউলের অজুহাতে মিশরের দুর্দান্ত একটি গোল বাতিল করা হলো। অথচ কয়েক মিনিট পর ঠিক একই রকম পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনার গোল বাতিল করা হলো না।” তার কথা হলো, ফিফা একটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত তামাশার সংস্থা’। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিও যোগ দিয়েছেন সে আলোচনায়, “বিশ্বকাপে মিশরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে।”
খেলা শেষে চোখ মুছতে মুছতে এই কথাটিই বলেছেন ম্যাচে মিশরের হয়ে প্রথম গোল করা মোস্তফা মোহামেদ জিকো, “রেফারি মোটেও ভালো ছিলেন না। শুরু থেকেই আমাদের বিরুদ্ধে ছিলেন। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে আমরা ২-০ গোলে জিতব, এটা যেন হতেই পারে না। ক্রমাগত আমাদের ওপর চড়াও হয়েছেন তিনি। একটা জাতির প্রচেষ্টা তিনি নষ্ট করে দিয়েছেন।”
রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি কোচ হোসে মরিনহো যেন জিকোর কথাই টেনে এনেছেন, “এটা স্রেফ চুরি। যে সংস্থাটা ফুটবলের দেখভাল করে, তাদের কাছ থেকে এরকম আচরণ আশা করা যায় না। যে ধরনের গোলের পর আর্জেন্টিনা রিভিউ পেল, একই ধরনের গোলের পর মিশর কেন পেল না?” ফলে মিশরের কোচের দুই হাত ক্রস করে দেখানো মানে এই নয় যে, “আমি সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নই।” এর মানে হলো, “অন্যায় করা হয়েছে, অবিচারের শিকার হয়েছি।”
স্বাভাবিকভাবেই ফিফা এসব দাবি অস্বীকার করেছে। এই বিশ্বকাপের রেফারিং কমিটির প্রধান বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, “কেউ দাবি করতে পারবে না যে ফিফার রেফারিং কারও দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে, এমনকি ফিফার সভাপতি দ্বারাও নয়।”
এসব বিতর্কের কারণে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর সমালোচনার মুখে পড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ফুটবলে প্রযুক্তি আনা হয়েছিল মানুষের ভুল কমিয়ে নিখুঁত বিচার করার জন্য। এখন স্বচ্ছতার পরিবর্তে ভিএআর কি নির্দিষ্ট কিছু পরাশক্তি দলকে সুবিধা দেওয়ার ‘সিলেক্টিভ উইপনে’ পরিণত হচ্ছে? তা না হলে একই ধরনের ফাউলের জন্য আলাদা সিদ্ধান্ত কেন হবে?
এখন প্রশ্ন হলো, এবারের বিশ্বকাপে এতসব অভিযোগ সামনে আসছে কেন? প্রথম কারণ অবশ্যই বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের বিপুল আগ্রহ। দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তির উৎকর্ষের কারণে খুঁটিনাটি বিচার করার সুযোগ। ফলে শত শত উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরাকে ফাঁকি দেওয়ার কি কোনো সুযোগ আছে? তৃতীয় কারণটি অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের মতো আগাগোড়া পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে আয়োজিত টুর্নামেন্ট, যেখানে টাকাই শেষ কথা!
তবে কেউ কেউ সন্দেহ করছেন, তারকা ফুটবলারসমৃদ্ধ দলগুলোকে দীর্ঘ সময় ধরে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখার জন্য ফিফা এসব করছে কি না! কারণ, তারকারা যতক্ষণ টিকে আছে, টাকার মেশিনও ততক্ষণ ঘুরতে থাকবে।
তারকা বা হোস্ট কান্ট্রি বাদ পড়ার পর যে ফিফার ক্ষতি হচ্ছে, তার পক্ষে প্রমাণও আছে। টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থা ‘টিকপিক’ বলছে, বেলজিয়ামের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলে হারার পর টিকিটের দাম কমে গেছে। আগামীকাল স্পেন এবং বেলজিয়ামের মধ্যে হতে যাওয়া দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দাম ২৯৫০ মার্কিন ডলার থেকে কমে হয়েছে ১২০০ ডলার। কারণ, ওই একই ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র এবং পর্তুগাল খেলতে পারত। রোনালদো এবং হোম টিমের উপস্থিতিতে হুহু করে বাড়ত টিকিটের দাম! আবার ব্রাজিল–পর্তুগালের বিদায়ও টিকিটের মূল্যে ধাক্কা খাওয়ার অন্যতম কারণ।
ফুটবল পুঁজিতে লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘মেসি ইকোনমিক্স’। এই ৩৯ বছর বয়সী সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ৫৮৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্লাবটির দাম উঠেছে ১.৪৫ বিলিয়ন ডলারে। ‘নিউ স্টেডিয়াম’কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বাণিজ্যিক ভবন, অফিস, বিলাসবহুল সব হোটেল। মেসিকে ধাওয়া করে মায়ামিতে গিয়ে ভিড়েছে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে খোদ বার্সেলোনা ও ফিফার অফিস। ২০২৪-এর কোপার ফাইনাল হয়েছে ওখানে। ফিফার ক্লাব বিশ্বকাপের ৮টি ম্যাচের পর এবারের বিশ্বকাপের ৭টি ম্যাচ এই একটি শহরে। মেসি বাড়ি কেনার পর মায়ামিতে জমির দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।
ফুটবলকে আমেরিকানরা তেমন পাত্তা দেয় না। ওরা বলে, এটা ইউরোপিয়ান ফুটবল; ওদের খেলা হলো সকার আর বাস্কেটবল। সেই আমেরিকায় এবার ফুটবল দেখার ধুম লেগেছে। অফিস থেকে আর্লি বের হচ্ছে মানুষ, দল বেঁধে অন্য শহরে যাচ্ছে ফুটবল দেখতে, বড় পর্দায় খেলা দেখছে। ফুটবল এখন ওখানে চর্চিত বিষয়। তার মানে, টাকা উড়ছে…
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফার রিপোর্টে বলা হয়েছিল, এবারের বিশ্বকাপ থেকে তারা ৯০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করবে। এর মধ্যে একা আমেরিকারই বৈধ পথে আয় হবে ৩৭ বিলিয়ন ডলার।
ফলে ফিফার উদ্ভাবিত হাইড্রেশন ব্রেক ‘বাণিজ্যিক বিরতি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ওই দুই মিনিটের রুদ্ধশ্বাস বিরতিতে টিভির পর্দায় জুয়ার বিজ্ঞাপন ছাড়া আর প্রায় কিছুই দেখানো হয় না।
খেলাধুলায় রাজনীতি ছিলই; আর বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট হলে তো কথাই নেই। ক্ষমতার লড়াই, পক্ষপাতিত্ব, জাতীয়তাবাদ—সবই থাকে। এটিই বাস্তবতা এবং সেই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে কোনো দ্বিধা নেই। কিন্তু নিরপেক্ষতা আর সাম্যের বুলি আউড়ে ছোট দেশগুলোকে বঞ্চিত করলে প্রশ্ন তো উঠবেই।
রাজু নূরুল উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ও লেখক। বর্তমানে সোমালিয়া সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র অ্যাডভাইজার হিসেবে কর্মরত। যোগাযোগ: [email protected]