১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
পেশায় সাংবাদিক, কলামনিস্ট ও গবেষক। বাংলাদেশের রাজনীতি এবং সংসদীয় রাজনীতি নিয়ে প্রতিবেদক হিসাবে কাজ করেছেন দুই দশকেরও বেশি। বর্তমানে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসাবে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের জন্য প্রতিবেদন প্রস্তুতের পাশাপাশি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত কলাম লিখছেন। গবেষণা করছেন বিভিন্ন বিষয়ে।দেশের রাজনীতির সঙ্গে ভূরাজনৈতিক বিষয়-আশয় এবং বঙ্গোপসাগর নিয়ে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। জাপানের ওশান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহায়তায় মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর কিভাবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় বাংলাদেশের জন্য নতুন দিক উন্মোচিত করবে সে ব্যাপারে প্রথম গবেষণা করেছেন। বাংলাদেশের প্রথম মেরিটাইম বিষয়ক প্রোফাইল বই ‘এ কম্পেন্ডিয়াম অফ মেরিটাইম অ্যান্ড রিভারাইন বাংলাদেশ: ক্রনিকল্ অব এ গ্লোরিয়াস সিফেরারিং নেশন‘ তার লেখা। তিনি বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে অধ্যাদেশ প্রণয়নের মাধ্যমে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ আইনটি করা যেত। এর পরিবর্তে বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে, শেষ মুহূর্তে বিল উত্থাপন করে এবং বিধি স্থগিত রেখে তা দ্রুত পাশ করে খাটো করা হলো সংসদকে। একই সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত অধিকারও খর্ব করা হলো, যা মোটেও কাম্য নয়।
বিরোধী দলের সব প্রস্তাবই কি পাস হতে হবে? সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্যই তো আলোচনা আর বিতর্ক। কিন্তু বর্তমান সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের মোক্ষম আইনি অধিকার কীভাবে হেলায় জলাঞ্জলি দিল জামায়াতে ইসলামী?
গাজী টায়ারে চালানো ধ্বংসযজ্ঞ বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে বড় নেতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে। কারখানা তো রাজনীতি করে না। মালিকের ওপর আক্রোশ মেটাতে গিয়ে ক্ষোভের আগুনে দেশের সম্পদ ও হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান পুড়িয়ে ফেলার এই আত্মঘাতী প্রবণতা কেন?
খোদ সংসদে দাঁড়িয়ে কেন এমন অবিশ্বাস্য মিথ্যার আশ্রয় নিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম? দলের ঐতিহাসিক কলঙ্ক মোচনের তাড়না, নাকি ক্ষমতার রাজনীতিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা?
সংসদীয় ইতিহাসে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের স্থায়ী কমিটিতে না রাখার একটি শক্ত রেওয়াজ ছিল, যা অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের অন্তর্ভুক্তির ফলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে রেওয়াজ আইনের চেয়ে কোনোক্রমেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। রেওয়াজগুলোই একসময় বিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একপেশে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের মানুষ হয়তো মুহাম্মদ ইউনূসের কিছুই করতে পারবে না। কিন্তু মনে রাখতে হবে, পলাশীর যুদ্ধের এতকাল পরেও দুই বাংলায় মীর বংশের মানুষেরা সন্তানের নাম জাফর রাখে না। এটিই মীর জাফরের বিরুদ্ধে জনগণের বিচার।