Published : 03 Oct 2020, 08:48 PM
সিলেট সিটি পুলিশের সহকারী কমিশমনার অমূল্য কুমার চৌধুরী জানান, শনিবার সন্ধ্যায় সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জিয়াদুর রহমানের আদালতে রাজন, মহানগর হাকিম সাইফুর রহমানের আদালতে আইনুল ও মহানগর হাকিম শারমিন খানম নীলার আদালতে রণি ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি দেন।
এর আগে শুক্রবার এই মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর ও রবিউল ইসলামও আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এই নিয়ে গ্রেপ্তারকৃত আট আসামির মধ্যে ছয়জনই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন।
শনিবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজন, রনি ও আইনুলকে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির করে শাহপরান থানার পুলিশ। সন্ধ্যায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
পুলিশ কর্মকর্তা অমূল্য কুমার বলেন, মামলার অপর দুই আসামি তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে শনিবার দুপুরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাজির করে তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা দুজনই পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
রোববার তাদের আদালতে হাজির করা হতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গত ২৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেটের টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে আসা নববধূকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ সারাদেশে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
পরদিন গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে সিলেটের শাহপরান থানায় ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
আরও খবর