Published : 15 Jul 2026, 03:00 PM
ত্রাণ বিতরণে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বুধবার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পালোয়ান পাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় জলকদর খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, “আপনারা যখন বরাদ্দ দেন, আমরা দেখি একেবারে তৃণমূলে এসে স্বজনপ্রীতি হয়, অনিয়ম দুর্নীতি হয়। এ বিষয়গুলো আপনারা কীভাবে অ্যাড্রেস করবেন?”
জবাবে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “আমাদের একদম দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলা রয়েছে, কোনো রকম দুর্নীতি স্বজনপ্রীতিকে আমরা বরদাস্ত করব না।
“বিশেষ করে বন্যা প্লাবিত মানুষের ক্ষেত্রে কোনো রাজনীতি নাই। যারাই দুর্গত, তাদেরকে ত্রাণ দিতে হবে। আর এ ধরনের কোনো অভিযোগ যদি আসে, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব আমরা।”
এর আগে খাল পরিদর্শন করে মন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল যে, আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের এসমস্ত খালগুলোকে পুনঃখনন করব। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল কেটে যে বিপ্লব করেছিলেন, তখন খাদ্যে আমাদের ঘাটতি ছিল। এই খাল কাটার মাধ্যমে খাদ্য উদ্ধৃত্ত হয়েছিল। সেই খাদ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছিল।
“আজকে আমি সরেজমিনে দেখলাম, খাল কাটার ফলে অনেকখানি পানি নিষ্কাশন হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন যেমন হবে, শুকনা মৌসুমে পানি ধরে রাখব আমরা। খালের পাড়ে আমরা গাছ লাগাব।”
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “খালের বাকি অংশটা যাতে সামনের শুকনা মৌসুমে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য আমি আমার মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেব। খালটাকে আরো সুন্দর করার জন্য আমি নির্দেশনা দিয়ে গেলাম।
“আমাদের বাংলাদেশের ৫০টি জেলায় একটি মডেল খাল আমরা চিহ্নিত করব। আশা করি এই খালটাকেও আমরা মডেল খালের মধ্যে নিয়ে আসতে পারব।”
খাল খনন কাজ পরিদর্শনের পর খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন মন্ত্রী।