Published : 30 Jan 2025, 08:52 PM
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে প্রতিমাসে সোয়া তিন কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্থলবন্দরে লোড আনলোডের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান দুদক সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার।
অভিযানে তামাবিল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানসহ দুদকের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, বন্দরের কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, পাঁচ টনের একটি ট্রাকে ১০ থেকে ১২ টন পাথর আসছে; যা প্রতি ট্রাকে পাঁচ থেকে ছয় টন বেশি। এ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ ট্রাক পণ্য আসে।
সেই হিসাবে প্রতিদিন ১৫ লাখ ১২ হাজার টাকার রাজস্ব হারিয়েছে সরকার; যা মাসে তিন কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে দুদক।
এ ছাড়া বন্দরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হোসেন আরা এন্টারপ্রাইজ’ লোড-আনলোডের কোনও কাজ না করেই ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ছয় হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদার।
তিনি বলেন, ঠিকাদার কর্তৃক নিয়োগ করা শ্রমিক না পেয়ে আমদানিকারকরা নিজস্ব শ্রমিক দিয়ে পাথর লোড-আনলোড করেন। এ বিষয়ে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে।
স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আমদানিকারকদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাননি তারা। তবে পণ্য পরিবহণে অতিরিক্ত ওজন পেলে কাস্টমস মামলা করছে।