০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“কিউআর বা এয়ার কোডের মাধ্যমে ভোক্তারা নিজেই যাচাই করতে পারবেন, এর থেকে সরকার কর বা রাজস্ব পেয়েছে কিনা।”
বিপুল অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়, যা ব্যবহার করে সাড়ে আট কোটি টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া সম্ভব ছিল, বলছে সংস্থাটি।
দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
মামলায় প্রায় ১০ কোটি ২৪ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ এনেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এসব ঘটনায় ৬ হাজার ২৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছিল।
বন্দরে লোড আনলোডের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক
বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ঢাকায় ২৫টি, চট্টগ্রামে চারটি, দশটি জেলায় দশটি এবং একটি বৃহৎ করদাতা ইউনিট রয়েছে।
এসব ব্যান্ডরোল ব্যবহারে প্রায় ১৫ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি হত, বলছে চট্টগ্রামের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট।