Published : 07 Jul 2026, 04:37 PM
সিলেটে সুরমা নদীর তীরে ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্বীন ব্রিজ ও আলী আমজাদের ঘড়িঘর ঘুরে দেখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সেইসঙ্গে বিখ্যাত সাত রঙের চাও খেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এসব এলাকা পরিদর্শন করেন বলে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন।
এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ঐতিহ্যবাহী আলী আমজাদের ঘড়িঘরের পাশে মার্কিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করা হয় বলে জানান তিনি।

কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় করেন এবং নগর পরিচালনা, জনসেবা ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে আগ্রহের সঙ্গে অবগত হন।
তার এ সৌজন্য সাক্ষাৎ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।
মার্কিন বিনিয়োগ নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক
সিলেট সফররত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এদিন সকালে নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিলেট অঞ্চলে মার্কিন বিনিয়োগ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের বলেন, “আলোচনায় বাংলাদেশে, বিশেষত সিলেট অঞ্চলে মার্কিন বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে খোলামেলা কথা হয়েছে।
“যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সিলেটের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন পথ খোলার সুযোগ রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও নিবিড় করার বিষয়েও একমত হন উভয়পক্ষ।”
আলোচনায় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতের বিকাশ-সম্ভাবনার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সিলেটি প্রবাসীদের অর্থনৈতিক অবদান এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক সুদৃঢ়করণের বিষয়টিও উঠে আসে।

এ ধরনের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে সংসদ সদস্য এম এ মালিক, তাহসিনা রুশদীর লুনা, এমরান আহমেদ চৌধুরী ও মুফতি আবুল হাসান, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।