Published : 26 Aug 2025, 11:11 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ ও ৩ নম্বর আসনের প্রস্তাবিত সীমানা নির্ধারণের শুনানিতে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মারামারির ঘটনায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে নির্বাচন কমিশন।
ওই ঘটনার একদিন পর সোমবার জিডিতে এ ঘটনায় জড়িতদের কারও নাম দেওয়া হয়নি।
ইসির সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “আমরা কারও নাম উল্লেখ করিনি, জিডি করা হয়েছে। শুনানিতে হাতাহাতির ঘটনা আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।"
কারও আবেদনের প্রেক্ষিতে নয় নিজেদের উদ্যোগে জিডি করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পুলিশকে অবহিত করে রাখা হয়েছে। তদন্তের বিষয়টি তাদের ব্যাপার।
শেরে বাংলা নগর থানার ওসি ইমাউল হক বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে করা জিডিটির বিষয়ে পুলিশ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।
রোববার নির্বাচন ভবনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ ও ৩ সংসদীয় আসনের সীমানা পুর্ননিধারণের শুনানিতে মারামারির এ ঘটনা ঘটে।
সেদিন খসড়া সীমানা নিয়ে দাবি-আপত্তির শুনানি শুরু করে (ইসি)। এক পর্যায়ে বিএনপি ও এনসিপির প্রতিনিধিরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং মারামারি শুরু করেন। তারপর ইসি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরে ইসি সচিব শুনানি শেষ করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের শুনানি কক্ষ ত্যাগ করার অনুরোধ করেন।
শুনানিতে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা ইসির খসড়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। এরপর খসড়ার বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরছিলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ। এর মধ্যে সেখানে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষে।
পরে হাসনাত সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানাকে ‘বিএনপির আওয়ামী লীগ বিষয়ক সম্পাদক' বলে আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন।
এর জবাবে সোমবার রাতে ফেইসবুকে হাসনাতের ‘ছাত্রলীগ সংযোগ’ তুলে ধরে কয়েকটি ছবি পোস্ট দিয়ে এই এনসিপি নেতাকে 'ফকিন্নির বাচ্চা' বলে মন্তব্য করেন রুমিন।
আরও পড়ুন
এবার হাসনাতের ‘ছাত্রলীগ সংযোগ’ নিয়ে রুমিনের পোস্ট, বললেন 'ফকিন্নির বাচ্চা'