২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ভোটের ফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে দলের ব্যয় বিবরণী জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এরমধ্যে পরিচালন ব্যয় ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা; আর ৭৫৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা রাখা হয়েছে উন্নয়ন ব্যয়ে।
নিবন্ধিত অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক দলসহ নাগরিকদের কাছে এ বিষয়ে মতামত চেয়েছে ইসি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকে এ হালনাগাদ নীতিমালা কার্যকর ধরা হবে।
“ইউপিতে ২০০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় ধরা থাকে, উপজেলাতেও দুই থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা খরচ হয়।”
পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন, বলেন রহমানেল মাছউদ।
যেখানে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা দেওয়ার সুযোগ ছিল সেখানে আরও ৬০ লাখ টাকা বেশি ব্যয় দেখিয়েছে জামায়াত।
স্থানীয় নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলায় থাকছে না সেনাবাহিনী; একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি।