Published : 07 Jul 2026, 11:33 PM
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) তহবিলের অর্থ আত্মসাতের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া ফ্রান্সের কট্টর ডানপন্থি রাজনীতির প্রধান মুখ মারিন লো পেনের সাজা কমিয়েছে আদালত৷
মঙ্গলবার প্যারিস আদালতের দেওয়া রায়ে বলা হয়, লো পেন ২০২৭ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে তাকে পায়ে ইলেকট্রনিক মনিটর (অ্যাঙ্কেল মনিটর) পরতে হবে৷
আদালত এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে সাজা ঘোষণার সময় লো পেনের ওপর সরকারি দায়িত্ব পালনে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি তাকে চার বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ ইউরো জরিমানা করেছিল। এর ফলে তার ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়া নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।
তবে মঙ্গলবার আদালত লো পেনের আগের দণ্ড কমিয়ে তার ওপর সরকারি দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৫ মাস করেছে। কারাদণ্ডের মেয়াদও কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে৷
সাজা কমায় তিনি ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে শর্ত হিসাবে তাকে গৃহবন্দি অবস্থায় পায়ে ইলেকট্রনিক মনিটর যন্ত্র পরতে হবে।
লো পেন এর আগে বার বারই বলে এসেছেন যে, এমন কোনও শর্ত আরোপ করা হলে তিনি নির্বাচনে লড়বেন না৷ কারণ, পায়ে এমন বেড়ি থাকলে তিনি অবাধে নির্বাচনি প্রচার চালাতে পারবেন না।
মঙ্গলবার আপিল আদালতের রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনও কথা না বলেই আদালত ছেড়ে চলে যান লো পেন৷ তিনি আদালতের এই রায় মানবেন কিনা তা মঙ্গলবার রাতেই ন্যাশনাল টিভিতে তার ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
ফ্রান্সে নির্বাচনের আগের জনমত জরিপগুলোতে লো পেন এগিয়ে আছেন। তিনি এর আগে তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়েছিলেন। তবে ইমানুয়েল মাক্রোঁর কাছে দুইবার হেরে যান।
২০১৭ ও ২০২২ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন লো পেন৷ ২০২৭ সালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য আবার নির্বাচনে নামার সুযোগ তৈরি হল তার৷ এখন দেখার বিষয়, তিনি নাকি দলের প্রধান প্রার্থী হিসেবে তার অনুসারী জর্ডান বারদেলা এই নির্বাচনে অংশ নেন৷