Published : 14 Jul 2026, 11:45 PM
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ নির্ধারিত সময়ের ১৩ বছর পর আপিল করার সুযোগ পেয়েছেন; এখন চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রাণদণ্ড পাওয়া শেখ হাসিনাও সেই সুযোগ পাবেন কি না, সেই প্রশ্ন সামনে আসছে।
ট্রাইব্যুনালের একজন কৌঁসুলি বলছেন, আযাদের ক্ষেত্রে যেভাবে দণ্ড কার্যকর স্থগিত করে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আর আইনে নির্ধারিত ৩০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর আপিল আবেদন করলে তা শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে কি না, তা সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার।
আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি রায় ঘোষণার সময় আবুল কালাম আযাদ বিদেশে পলাতক থাকায় তিনি আপিল করতে পারেননি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর সেটিই ছিল ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়। তাতে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, আটক, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটসহ আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটি প্রমাণিত হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ২০২৫ সালের মার্চে পাকিস্তান হয়ে আযাদের দেশে ফেরার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর সাজা স্থগিত চেয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি।
সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তখনকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে শর্ত দেওয়া হয়, আদালতে আত্মসমর্পণ করে তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।
এরপর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে আপিল প্রস্তুতের জন্য রায়ের সার্টিফায়েড কপি (নকল) ও অন্যান্য নথিপত্র চেয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আযাদ। পরে তিনি আপিলও দায়ের করেন।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড দেয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে ভারতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। আদালতের দৃষ্টিতে তিনিও একজন পলাতক আসামি।
চব্বিশের অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা বলেছেন।
টেলিফোনে দেওয়া প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি একা নন, নির্বাসিত জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতারাও তার সঙ্গে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন।
আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার যে সুযোগ, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে সেই সময় এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে। ফলে তিনি যদি সত্যিই দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করেন, তখন আপিল করার সুযোগ পাবেন কি না—সেই প্রশ্ন সামনে আসছে।
এক্ষেত্রে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত আবুল কালাম আযাদের দণ্ড স্থগিত করে তাকে আপিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নজির হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গাজী এম এইচ তামীম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এটি পুরোপুরি সরকারের ওপর নির্ভর করবে। যদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার সাজা স্থগিত করে, তবেই তিনি এভাবে আপিলের সুযোগ পাবেন।"
সাজা স্থগিত না হলেও আপিল করার সুযোগ থাকবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, "সাজা স্থগিত না করলেও বিভিন্ন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত অনেক আসামি ছয় মাস, এক বছর বা পাঁচ বছর পর গ্রেপ্তার হয়ে আপিল করেছেন। যদিও আইনে বলা আছে আপিল করা যাবে না, কিন্তু ফাইল করতে তো বাধা নেই।
“দণ্ডপ্রাপ্ত যারা কারাগারে আছেন, তারা সার্টিফায়েড কপি পেয়ে আপিল করেছেন। আপিলটি যথাযথ হয়েছে কি না বা গ্রহণযোগ্য (মেনটেইনেবল) কি না, তা আপিল বিভাগের শুনানিতে নির্ধারিত হবে।"
তবে এই প্রসিকিউটরের ভাষ্য, এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলায় নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর আপিল গ্রহণের নজির নেই।
তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত এরকম অনেক আপিল ফাইল হয়েছে, কিন্তু এই আপিলগুলো গ্রহণযোগ্য কি না, তা নিষ্পত্তি হয়নি। যখন শুনানি হবে, তখন আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত নেবেন যে, আদৌ ৩০ দিন পার হলে কেউ আপিল করতে পারেন কি না।”
শেখ হাসিনার সুযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স কাউন্সেল মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেন, "বাচ্চু রাজাকারের (আবুল কালাম আযাদ) ক্ষেত্রে যেটা অ্যাপ্লাই করে সুবিধা পাইছে, শেখ হাসিনা যদি মনে করে যে এটা সে নেবে, তাহলে সেভাবে সে নিতে পারে। অথবা কোনো জায়গায় না গিয়ে সারেন্ডার করেও আপিল করতে পারে। বিদ্যমান আইনে এটা সম্ভব।"
মৃত্যুদণ্ডের মামলায় আপিল করার আইনি অধিকার ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, "মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ক্ষেত্রে আপিল করা এবং সেই আপিলের শুনানি হওয়া আসামির বৈধ অধিকার। যদিও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল করাই নিয়ম, তবে কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে আইনের ভাষায় 'লিভ' বা বিশেষ অনুমতি নিয়ে আপিলের আবেদনের সুযোগ থাকে। যেহেতু বাংলাদেশের আইনে আপিলের বিধান রয়েছে, তাই একজন আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকাটাই ন্যায়সঙ্গত।”
আবুল কালাম আযাদের আপিল করার প্রক্রিয়ার আইনি ভিত্তি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি তামীম বলেন, "আইনে স্পষ্ট বলা আছে, ট্রাইব্যুনালের রায় কার্যকর করবে সরকার। কীভাবে বা কী উপায়ে কার্যকর করবে, তা সম্পূর্ণ সরকারের ওপর নির্ভর করে। ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব হল রায় দিয়ে সরকারের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে পাঠিয়ে দেওয়া। সরকার আবুল কালাম আযাদের রায়টি আপাতত স্থগিত করেছে। আমাদের আইনে এই সুযোগটি আছে।"
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন পর দেশে এসে ব্যক্তিগতভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে তিনি এই স্থগিতাদেশটি এনেছেন। আমরা এটি যাচাই করে দেখেছি যে, এটি সঠিক। এর ভিত্তিতেই তিনি ট্রাইব্যুনালে এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার সাজা স্থগিত রেখে তাকে আপিল করার সুযোগ দিয়েছে।”
এই বিশেষ অনুমতি প্রসঙ্গে আইনজীবী মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেন, "বাচ্চু রাজাকার রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে এসেছেন। কারণ, অনুমতি না নিলে তাকে ভেতরে (কারাগারে) যেতে হত। রাষ্ট্রপতি তার সাজা স্থগিত করেছেন। এটাকে বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ বলা যাবে না। যে কোনো দণ্ড মওকুফ করা, স্থগিত করা বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানেই এ ক্ষমতা দেওয়া আছে।"

আবুল কালাম আযাদের বর্তমান অবস্থান জানতে চাইলে কৌঁসুলি তামীম বলেন, "তিনি কিন্তু জামিন পাননি। যেহেতু কারাগারের বাইরে থাকা অবস্থায় তার সাজা স্থগিত হয়েছে, তাই আদালত বলে দিয়েছে তিনি যে অবস্থায় আছেন, সে অবস্থাতেই থাকবেন। যেহেতু তার বিরুদ্ধে থাকা রায় স্থগিত করা হয়েছে, তাহলে তাকে কীভাবে কারাগারে পাঠাবেন?"
তাহলে এখন শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে?
এ প্রশ্নে তামীম বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মৃত্যুদণ্ডের রায় আছে এবং বেশ কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আছে।
“তার বিরুদ্ধে টিএফআই এবং জেআইসিতে পরিচালিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এছাড়া শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলা এবং গাজীপুর ও কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে পরিকল্পিত হত্যার মামলাগুলোতেও তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি বা সাজা পরোয়ানা আছে, তিনি যদি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন, তবে তার প্রথম দায়িত্ব হল সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করা।
“সে যদি আত্মসমর্পণ না করে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করবে। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি ছাড়া তিনি দেশে এলে তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে এবং কারাগারে যেতে হবে। কারাগারে যাওয়ার পর তিনি মামলার নথিপত্র পাবেন এবং আপিল করতে পারবেন।"
শেখ হাসিনাকে কোথায় আত্মসমর্পণ করতে হবে, সেই প্রশ্নে এ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি যে কোনো আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন। যতগুলো আদালতে তার বিরুদ্ধে রায় বা মামলা হয়েছে, তার যে কোনো একটিতে আত্মসমর্পণ করা তার ‘নিজস্ব ইচ্ছা’।
“তবে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে হাজির করবে, সেটাকে আইনি ভাষায় আত্মসমর্পণ বলা যায় না। যে কোনো একটি মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হলে বা আত্মসমর্পণ করলে, বাকি সবগুলোতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।"
ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আপিলের নির্দিষ্ট মেয়াদ নিয়ে তামীম বলেন, আইনের ২১ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, এই আইনে আপিল করার মেয়াদ হল ৩০ দিন। রায় ঘোষণার দিন থেকেই এ মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
“রায় প্রকাশের পর কেউ সার্টিফায়েড কপির আবেদন করলে রায়ের নকল হাতে পাওয়া পর্যন্ত মাঝের সময়টা গণনা থেকে বাদ যায়। কিন্তু তিনি (শেখ হাসিনা) তো কোনো সার্টিফায়েড কপির আবেদনই করেননি, কারণ তিনি উপস্থিত নেই। তাই তার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন থেকেই ৩০ দিন গণনা হবে। ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা আছে, যদি কেউ এই ৩০ দিনের মধ্যে আপিল ফাইল না করেন, তাহলে আর কোনো অবস্থাতেই তিনি আপিল করতে পারবেন না।"
আওয়ামী লীগ আমলেই এ আইন সংশোধনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "১৯৭৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এ আইন করেছিল। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা যখন আইনটি সংশোধন করেন, তখনও আপিলের মেয়াদ ৩০ দিন ছিল না, ৬০ দিন ছিল।
“২০১৩ সালের দিকে আবদুল কাদের মোল্লার মামলার রায়ের ঠিক আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সংসদ আইনটি সংশোধন করে আপিলের মেয়াদ ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করে। ট্রাইব্যুনালের অপরাধের গভীরতা বিবেচনা করেই তারা এই মেয়াদ কমিয়েছিলেন।"

ট্রাইব্যুনালের এ প্রসিকিউটর বলেন, আগে আপিল নিষ্পত্তির কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ ছিল না। শেখ হাসিনার সরকার আইন সংশোধন করে আপিল নিষ্পত্তির জন্যও ৬০ দিনের একটি মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়।
“আইনের গুরুত্ব ও গভীরতা বুঝেই তিনি নিজের সংসদ দিয়ে এটি করে গেছেন। অতএব, তিনি জানেন যে এই আইনে ৩০ দিন পার হলে আপিলের আর কোনো সুযোগ নেই।"
দেরিতে আপিলের ক্ষেত্রে আইনি ছাড় বা তামাদি আইনের প্রয়োগ হতে পারে কি না, সেই প্রশ্নে তামীম বলেন, বাংলাদেশের ফৌজদারি আইনতত্ত্ব (ক্রিমিনাল জুরিসপ্রুডেন্স) অনুযায়ী, কোনো বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইন বা লিমিটেশন অ্যাক্ট প্রযোজ্য হয় না।
“দণ্ডবিধির অধীনে হওয়া মামলায় সময়মত আপিল না করতে পারলে তামাদি আইন প্রয়োগ করে মওকুফের ক্ষমতা আদালতের থাকে। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট, নারী-শিশু ট্রাইব্যুনাল বা স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্টের মত বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়। আইনে দেওয়া মেয়াদ তামাদি আইন দিয়ে পরিবর্তন করা যায় না, তাই এখানেও তিনি এই সুযোগ পাবেন না। তবে আপিলের বিষয়টি পুরোপুরি সরকারের ওপর নির্ভর করে।”
পুরনো খবর
ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, আইনি প্রক্রিয়া কী