২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
তিনি বলেছেন, “দেশের প্রয়োজন ক্ষত নিরাময়। তবে পুনর্মিলনের অর্থ দায়মুক্তি হতে পারে না। অপরাধের জন্য দায়ীদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।”
বর্তমানে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকা মোজাফফর হোসেনকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলা হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার পাশাপাশি কয়েকজন সাংবাদিককেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
“বাংলাদেশ সরকার খুবই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে এবং আমরা চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে (শেখ হাসিনা) ফেরত আনা হোক।”
“আমার বাবার জন্মেও এই বাদী বা যে মারা গেছে বলে বলা হচ্ছে, তাদের নাম শুনিনি ভাই।”
“যারা এই অপরাধের সাথে জড়িত ছিল, আমরা তাদেরকেও শনাক্ত করার চেষ্টা করছি এবং তাদেরকেও আমরা বিচারের আওতায় নিয়ে আসব," বলেন ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি।
একজন প্রসিকিউটর বলছেন, সরকার চাইলে দণ্ড স্থগিত করে আপিল করার সুযোগ দিতে পারে; তবে সেই আপিল গ্রহণ করা বা না করা আদালতের এখতিয়ার।
পাসপোর্টহীন শেখ হাসিনার ফেরার আইনি প্রক্রিয়া কী হতে পারে, সে বিষয়ে আইনজীবীদের দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।