Published : 15 Jun 2026, 11:16 AM
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মিরপুর-৬ নম্বর বাজারে এক ভদ্রলোকের মুদি ও স্টেশনারি জিনিসপত্রের দোকান ছিল। দোকানটি বেশ ভালো চলত। ভদ্রলোকও ছিলেন খুবই বিনয়ী ও সজ্জন। এমন হয়েছে যে, তার দোকানে জিনিস কিনে টাকা দিয়েছি, তবে ভুল করে জিনিসিপত্রের দুয়েকটা নেওয়া হয়নি। ভদ্রলোক দোকানের অতিব্যস্ততার মধ্যেও মনে করে আমাকে ফোন দিয়ে ফেলে যাওয়া জিনিস নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। প্রায় বছর ১৫ ধরে তার দোকানে একাধারে কেনাকাটা করেছি।
সম্ভবত পটুয়াখালীর কোনো উপজেলা থেকে এসে ঢাকায় থিতু হয়েছিলেন। ক্রিকেট খেলা দেখতেন টেলিভিশনে। রাজনৈতিক বিষয়ক টকশোরও নিয়মিত দর্শক ছিলেন। মাঝে মাঝে আমাকেও টেলিভিশনে দেখেছেন বলে একটু বেশি খাতিরও করতেন।
ওই ভদ্রলোকের কথা হঠাৎ মনে পড়ার একটা কারণ আছে। তখন আওয়ামী শাসনামল। পুলিশ-র্যাবের বিরাট ক্ষমতা, মানুষ তটস্থ তাদের ক্ষমতায়। একদিন দোকানে যেয়েই আমি বললাম, ‘আমার একটু তাড়া আছে।’ বলে তাকে বাজারের ফর্দটা ধরিয়ে দিলাম। ইতোমধ্যে ওই দোকানে একজন খরিদ্দার এলেন। খুবই সাধারণ বেশভূষা। দোকানদারকে দেখি, আমার বাজারের ফর্দটি একপাশে ফেলে তাকে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে উঠলেন। সমস্ত মনোযোগ তখন তার ওপরে। আমি কিঞ্চিৎ বিরক্ত হচ্ছি। মনে মনে ভাবছি, আজ ভদ্রলোকের কী হলো! আমাকে রেখে পরে আসা ওই ব্যক্তিকে নিয়ে এমন মেতে উঠলেন কেন? এই ভাবনার মধ্যেই আমার পরে আসা ওই লোকের কেনাকাটা সারা হলে দোকানদার নিজে তাকে কিছুটা এগিয়ে দিয়ে এলেন।
ফিরে এসে বিগলিত হাসি হেসে গর্বের সঙ্গে বললেন, ‘ওনাকে চেনেন?’ আমি ‘না’ বলতেই সটান উত্তর, ‘আরে চেনেন না, উনি তো বেনজীর সাহেবের মামা।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোন বেনজীর সাহেব?’ তিনি দন্ত আরও বিকশিত করে জবাব দিলেন, ‘র্যাবের ডিজি, বেনজীর সাহেব!’
দোকানি ভদ্রলোক করোনার পরে হঠাৎ মারা যান। আল্লাহ তার মঙ্গল করুন। ভাবছি, উনি বেঁচে থাকলে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের খবর শুনে কী বলতেন!
উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালে পুলিশে যোগ দেওয়া বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি পদে ছিলেন। তার আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং র্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। এই বেনজীর আহমেদ একসময় নজিরবিহীন ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন। পুলিশ বাহিনীতে ক্ষমতার এক নিজস্ব স্টাইল চালু করেছিলেন তিনি। তার বৈধ-অবৈধ ক্ষমতা ব্যবহারের মডেল পুলিশ বাহিনীতে অনেক চৌকস-মেধাবী-সুশিক্ষিত তরুণ অফিসারদেরও চোখে ‘মডেল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই ক্ষমতা তাকে নিজস্ব চাকুরিবিধির বাইরেও এমন এক অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল যে, তিনি ছিলেন সবকিছু থেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফ্যাসিবাদী শাসকের প্রধানতম হাতিয়ারদের একজন হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে অনেক তরুণ চৌকস অফিসারের চোখে ‘নায়ক’ হয়ে উঠেছিলেন। পুলিশের এক মেধাবী কর্মকর্তা, যিনি অক্সফোর্ড থেকে পড়াশোনা করেছিলেন, যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শন-সাহিত্য-সমাজবিজ্ঞান নিয়ে উচ্চতর জ্ঞান বিলাতেন, তিনিও ‘বেনজীর আহমেদের’ মতো অফিসার হওয়ার স্বপ্নের কথা প্রকাশ্যে উচ্চারণ করতেন। অর্থাৎ, পুলিশ বাহিনীতে বেনজীর আহমেদের চলাফেরা-কার্যকলাপ এমন এক বে-নজিরতা স্থাপন করেছিল যে, সেই ‘বেনজীর মডেল’ অনেকের আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হয়েই দাঁড়িয়েছিল।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে, সেগুলো হচ্ছে—অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ সঞ্চয়, অর্থপাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন, প্রভাব খাটিয়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ইত্যাদি। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার প্রভাব ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জমি, ফ্ল্যাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এবং অন্যান্য সম্পদের মালিক হন, যার বৈধ আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার বিরুদ্ধে দাখিল করা মামলাগুলোর একটি বড় অংশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা সম্পদের বিবরণে তথ্য গোপন করেছেন বা প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ করেননি। দুদকের মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও অন্যান্য দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সম্পদে রূপান্তর করা হয়েছে। দুদক তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলাও করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের একটি অংশ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি যখন র্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন, তখন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো সমালোচনা করে। ২০২১ সালে এই ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে আমেরিকা র্যাব এবং কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে; তাদের মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। ২০২৪ সালের ৪ মে বেনজীর আহমেদ সপরিবারে দেশ ত্যাগ করেন; ঠিক সেই সময়ে যখন তার সম্পদ ও সম্পদের উৎস নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছিল। পরে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং অর্থপাচারের অভিযোগসহ গুম-খুনের অভিযোগেও একাধিক মামলা হয়। আদালত তার সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেয় এবং এরপর তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও আদেশ হয়। এই কারণে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ও জনপরিসরে অনেকেই মনে করেন যে, তিনি আইনি তদন্ত ও সম্ভাব্য গ্রেপ্তার এড়াতে দেশ ছেড়েছিলেন। সাম্প্রতিক খবরে জানা গেছে, দুদকের মামলার প্রেক্ষাপটে ইন্টারপোলের সহায়তায় তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ১২ জুন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ১৪ জুন জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, বেনজীর আহমেদকে ফেরাতে গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠাতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণ প্রস্তাব প্রস্তুত ও অনুমোদন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমিরাত কর্তৃপক্ষের কাছে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠাবে। তিনি আশাবাদী, অতি দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা যাবে।
কোনো নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা এমন নজিরবিহীন ক্ষমতাধর হয়ে উঠলেন কীভাবে, সেটার একটা সামাজিক প্রেক্ষাপটও বিবেচনার দাবি রাখে। প্রথমত, যখন কোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধভাবে, ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকে, তখন শাসকগোষ্ঠীর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে রাষ্ট্র নয়, বরং ক্ষমতার ধারাবাহিকতা। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী ধীরে ধীরে আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে রাজনৈতিক দলদাস প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। একজন কর্মকর্তা তখন বুঝতে পারেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের অবৈধ প্রত্যাশা পূরণ করলে দ্রুত পদোন্নতি হবে। তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেন, বিরোধীদের কঠোরভাবে দমন করলে তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতাবানদের বিশ্বস্ত কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন। ভাবতে থাকেন, মানবাধিকার বা আইনি সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলেও রাজনৈতিক সুরক্ষা মিলবেই। ক্ষমতার বিনিময়ে আনুগত্য তখন তাকে সীমাহীন ক্ষমতাধর হয়ে উঠতে প্ররোচিত করে। ফলে ব্যক্তি নয়, পুরো প্রতিষ্ঠানই ধীরে ধীরে বদলে যায়। বেনজীর আহমেদ সেই নেতিবাচক, বিপজ্জনক বদলের পুরোধা ছিলেন। ব্যক্তি তো বটেই, পুরো পুলিশ বাহিনীকেই একসময় ‘ধরাছোঁয়ার’ বাইরে ভাবতে থাকেন।
এছাড়া, দীর্ঘ সময় ব্যাপক ক্ষমতা ভোগ করলে কিছু মানুষের মধ্যে এমন প্রবণতা তৈরি হয় যে, তিনি ভাবতে থাকেন, ‘আমি কাউকে নিপীড়ন করছি না, রাষ্ট্রকে রক্ষা করছি।’ এর ফলে কঠোর বেআইনি পদক্ষেপও তার কাছে নৈতিক মনে হয়। বিরোধী দল, কর্মী বা সমালোচকদের ‘নাগরিক’ নয়, ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসেবে দেখতে শুরু করার প্রবণতাকে দায়িত্ব বলে মনে হয়। ক্ষমতাধর কর্মকর্তারা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষমতা-চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। তারা ভাবতে থাকেন, ‘আমাকে ছাড়া রাষ্ট্র চলবে না।’ এই প্রবণতা প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধকে ধ্বংস করে ফেলে। পেশাদারিত্ব দুর্বল হতে থাকে। যোগ্যতার বদলে আনুগত্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জনআস্থা নষ্ট হয়। সরকার পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা অনিশ্চয়তায় পড়ে।
এখন প্রশ্ন হলো, বেনজীর আহমেদ কি সত্যি সত্যিই বাংলাদেশের আদালতে বিচারের সম্মুখীন হবেন? নাকি বাংলাদেশে এনে তাকে রাজসাক্ষী করা হবে? নাকি আগামী দিনের জটিল-কুটিল রাজনীতির চক্রে একসময় বেনজীর আহমেদও পার পেয়ে যাবেন? বেনজীর আহমেদ একসময় শুধু প্রশাসনিক ক্ষমতার শীর্ষে থাকা ব্যক্তি নন, একই সঙ্গে তিনি ছিলেন বিপুল আর্থিক সক্ষমতার অধিকারী একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা। এই দ্বৈত অবস্থান—ক্ষমতা ও অর্থ—তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে, বিশেষ করে যদি বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনি পরিসরে গড়ায়। কারণ, তার আইনজীবীরা বিদেশের আদালতে যুক্তি তুলে ধরতে পারেন যে, বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ নয় এবং এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এমন দাবি আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে সাধারণ কৌশল হিসেবেই ব্যবহৃত হয়, যা প্রত্যর্পণ বা দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করতে পারে।
এই ধরনের অভিযোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শক্তিশালী আইনি প্রস্তুতি প্রয়োজন হবে। শুধু মৌখিক অবস্থান নয়, বরং সুনির্দিষ্ট নথি, প্রমাণ এবং আইনি যুক্তির মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে যে, অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় এবং বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও আইনসম্মত কাঠামোর মধ্যেই এগোচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশের আস্থা অর্জন করা যায়।
এখন মূল প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কি সেই সক্ষমতা ও প্রস্তুতি দেখাতে পারবে? কিংবা আন্তরিকভাবে সেটা চাইবে? কারণ, বেনজীর আহমেদের মতো উচ্চপর্যায়ের একটি মামলার আইনি ও কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনা কেবল বিচারিক বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রীয় সদিচ্ছা ও সক্ষমতারও একটি পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ কি সেটা দেখাবে? তবে একথা বলা যায় যে, এ ঘটনাকে ঘিরে সরকার ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তির আচরণ ও অবস্থান ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথ সম্পর্কেও কিছুটা ইঙ্গিত দিতে পারে।
পুনশ্চ: সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের এই অবস্থা প্রমাণ করে অনৈতিক ক্ষমতা কখনো চিরস্থায়ী হয় না। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর ক্ষমতা ও আচরণের সুনির্দিষ্ট সীমারেখা লঙ্ঘনের পরিণতি কখনো সুখকর হয় না। দাম্ভিকতা, অহমিকা কখনো জনহৃদয়ে জায়গা পায় না। ইতিহাস বারবারই দেখিয়েছে, ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, অহংকার ও দম্ভ দীর্ঘমেয়াদে কোনো স্থায়ী গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারে না। জনসমর্থন কিংবা জনবিচারের পরিসরে এমন আচরণ শেষ পর্যন্ত টিকেও না। কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের কথা ধার করে তাই বলি, ‘লেখা আছে হাতের রেখায়, জাহাজ ডুববে অহমিকায়।’
শুভ কিবরিয়া সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। যোগাযোগ: [email protected]