২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১ জুলাই দিন রেখেছে আদালত।
বেনজীর আহমেদের তুর্কিয়ের (তুরস্ক) নাগরিকত্ব ও সেখানে বড় বিনিয়োগের গুঞ্জন সত্যি হলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ পুলিশ কর্মকর্তা মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান। দুবাইতে ইন্টারপোলের হাতে আটক হওয়ার পরও ভারতীয় নাগরিকত্বের ঢাল ব্যবহার করায় বাংলাদেশ সরকার তাকে আজ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারেনি। ফলে আরব আমিরাত যদি বেনজীর আহমেদকেও তৃতীয় কোনো দেশের নাগরিক হিসেবে গণ্য করে, তবে বাংলাদেশের আইনি লড়াই মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।
“বেনজীরের গ্রেপ্তার এটা বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিককালের ইতিহাসে অন্যতম সাফল্য।”
“তিনি র্যাবের প্রধান হিসেবে অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তিনি যখন পুলিশের প্রধান ছিলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অসংখ্য অপরাধের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।”
মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলাতেও আসামি হিসেবে বেনজীরের নাম রয়েছে।
বেনজীর আহমেদকে কি বাংলাদেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব? নাকি আন্তর্জাতিক আইনের মারপ্যাঁচে দীর্ঘায়িত হবে সাবেক এই আইজিপির প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জাতিকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।”
দুর্নীতি মামলার আসামি বেনজীর আহমেদকে ধরতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারি করা হয়েছিল।