২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঠিক কোন কোন বিষয়ে দুবাই পুলিশ ব্যাখ্যা চেয়েছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি দুদক।
মামলাটিতে ২৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
মামলাটিতে ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
“আমরা সেদিনই কাগজপত্র তৈরি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠিয়ে দেই। সেখান থেকেই ডিপ্লোম্যাটিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুবাইতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এসব নথি পাঠানো হবে।
বেনজীর আহমেদের তুর্কিয়ের (তুরস্ক) নাগরিকত্ব ও সেখানে বড় বিনিয়োগের গুঞ্জন সত্যি হলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ পুলিশ কর্মকর্তা মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান। দুবাইতে ইন্টারপোলের হাতে আটক হওয়ার পরও ভারতীয় নাগরিকত্বের ঢাল ব্যবহার করায় বাংলাদেশ সরকার তাকে আজ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারেনি। ফলে আরব আমিরাত যদি বেনজীর আহমেদকেও তৃতীয় কোনো দেশের নাগরিক হিসেবে গণ্য করে, তবে বাংলাদেশের আইনি লড়াই মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।
“বেনজীরের গ্রেপ্তার এটা বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিককালের ইতিহাসে অন্যতম সাফল্য।”
“তিনি র্যাবের প্রধান হিসেবে অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তিনি যখন পুলিশের প্রধান ছিলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অসংখ্য অপরাধের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।”