Published : 22 Feb 2026, 10:27 AM
জাতীয় নির্বাচনের দুদিন পরে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সোয়া ১০টা। রাজধানীর বাংলামোটর মোড়। মানুষের শোরগোল। ফুটওভার ব্রিজের পশ্চিম প্রান্তের ফুটপাতে ২০-৩০ জন লোক একজন লোককে ধাওয়া করছে। ভদ্রলোক দৌড়াচ্ছেন। গাল দিয়ে রক্ত ঝরছে। অর্থাৎ, এরই মধ্যে তাকে একদফা মারা হয়েছে। এখন সম্মিলিতভাবে পেটানোর জন্য তাকে ধাওয়া করা হচ্ছে।
খুব কাছ থেকে এই দৃশ্য দেখছিলাম এবং ভাবছিলাম আমার কী করা উচিত। একজন লোককে অনেকগুলো লোক এভাবে তাড়া করছে দেখে জ্যামে আটকে থাকা অনেকেই প্রতিবাদ করছিলেন। চিৎকার করছিলেন যেন লোকটিকে আর না মারা হয়। কিন্তু উন্মত্ত জনতা কারো কথা শুনতে নারাজ।
আহত লোকটি দৌড়ে বাংলামোটর সিগন্যাল পার হয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের সহায়তা চাইলেন। আমিও মোটামুটি দ্রুত পায়ে সেখানে গিয়ে দাঁড়াই। ততক্ষণে উন্মত্ত লোকজন সিগন্যাল পার হয়ে চলে এসেছে এবং পুলিশের সঙ্গে বাকবিকতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছে। জানতে চাইলাম সমস্যা কী? তাদের একজন জানালেন, এখানেই (বাংলামোটর ফুটওভার ব্রিজের পশ্চিম প্রান্তে) তাদের অফিস। ফুটপাতে তাদের একজন সহকর্মীকে সে মেরেছে। ফলে অফিস থেকে সবাই একযোগে বেরিয়ে তাকে ধাওয়া করেছেন। বললাম, তার যদি অপরাধ হয়েও থাকে, তার শাস্তি তো আপনারা এরই মধ্যে দিয়েছেন। বড়জোর তাকে পুলিশে দিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু তাকে মেরে রক্তাক্ত করেছেন। এখন আবার সবাই মিলে ধাওয়া করছেন কেন? মেরে ফেলবেন? তখন উত্তেজিত একজন আমার পরিচয় জানতে চাইলেন। মবের শিকার হওয়ার ভয়ে পরিচয় দিলাম। তখন পাশ থেকে একজন বললেন, ‘হলুদ সাংবাদিক’। গায়ে মাখলাম না। তখন লক্ষ্য একটাই, আহত লোকটিকে বাঁচানো। দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার সিরিয়াসলি বিষয়টা মোকাবিলা করলেন এবং উন্মত্ত লোকজনকে চলে যেতে বাধ্য করলেন।
লোকটি তখন পুলিশের কাছে এসে না দাঁড়ালে এবং আমিসহ আরও কয়েকজন আহত লোকটিকে ঘিরে না ধরলে ওইদিন উন্মত্ত লোকজন তাকে কী করত জানি না।
ঘটনা পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, যেহেতু আহত লোকটি ফুটপাতে একজনের সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে হয়তো একটা চড়-থাপ্পড় দিয়েছেন, কিন্তু ওই লোকটির অফিস যেহেতু ওখানেই, ফলে তার সহকর্মীরা এটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দল বেঁধে নেমে আসেন। সংঘবদ্ধতার যে শক্তি, সেটি তারা দেখাতে লাগলেন। তাদের কেউ কেউ বলছিলেন, তারা দেখতে চান তিনি (আহত লোকটি) কত বড় নেতা! তাদের উদ্দেশে বললাম: আপনারা মব সৃষ্টি করছেন। আপনিও আরেকটি অফিসের নিচে গিয়ে এরকম পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন। তখন একজন আমাকে লক্ষ্য করে একটা গালি দিলেন। কিন্তু এর চেয়ে বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়ার ভয়ে নিজেকে সংযত করি। ভরসা রাখছিলাম পুলিশ কর্মকর্তার ওপরে।
ঘটনার ব্যাপকতা বিচার করলে এটি অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে ঘটে যাওয়া অসংখ্য মব সন্ত্রাসের একটি ছোট্ট উদাহরণ। বিশেষ করে মব সৃষ্টি করে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া; কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে ফেলা; বাউলদের ওপর সংঘবদ্ধ আক্রমণ চালানো এবং তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা—এরকম অসংখ্য ঘটনার সঙ্গে তুলনা করলে বাংলামোটরের ওই ঘটনা হয়তো মামুলি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও লোকজন কীভাবে এই ধরনের মব সৃষ্টির সাহস পায়? নাকি অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে মব যেভাবে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে—তাতে এই ব্যাধি থেকে জাতির মুক্তি পাওয়া কঠিন?
শান্তিতে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শেষ মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য (কিছু বিতর্ক বাদ দিলে) নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে যেভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে, তার বিপরীতে এই সরকারের দেড় বছরে দেশে মবসন্ত্রাস প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়া; বিশেষ করে কিছু উগ্রপন্থি গোষ্ঠী ও ব্যক্তির উল্লম্ফনে দেশে একটা চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরির পেছনে নির্লিপ্ততাও সরকারকে বিতর্কিত করেছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে, মব শব্দটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশব্দ হিসেবে অনেকে ব্যবহার করেছেন। অনেকেই এই দেড় বছরের শাসনকে ‘মবের শাসন’ বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে মব সন্ত্রাসকে বৈধতা দেওয়ায় সরকারের দায়িত্বশীলতা ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে যখনই জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে নির্মোহ গবেষণা ও বিশ্লেষণ করা হবে, সেখানে অবশ্যম্ভাবীভাবে মব শব্দটি যে চলে আসবে, তাতে সন্দেহ নেই।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে দেশে মব সন্ত্রাসে (গণপিটুনি) অন্তত ১৯৭ জন নিহত হয়েছেন। আর অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়কালে মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২৯৩ জন নাগরিক। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ এসব সহিংসতার শিকার হয়েছেন। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৫ সালে ঢাকায় সর্বাধিক ২৭ জন মব সন্ত্রাসে নিহত হয়েছেন। এরপর গাজীপুরে ১৭, নারায়ণগঞ্জে ১১, চট্টগ্রামে ৯ ও কুমিল্লায় ৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। ময়মনসিংহ, বরিশাল, নোয়াখালী, গাইবান্ধা ও শরীয়তপুরে ৬ জন করে, লক্ষ্মীপুর, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে ৫ জন করে এবং নরসিংদী ও যশোরে ৪ জন করে নিহত হয়েছেন।
আসকের বিশ্লেষণে বলা হয়, রাজনৈতিক বিরোধ, ধর্মীয় উগ্রবাদ, গুজব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই অধিকাংশ মব সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ‘তৌহিদি জনতা’র নামে সংঘটিত কিছু ঘটনায় ঐতিহাসিক স্থাপনা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চার কেন্দ্র ভাঙচুরের পাশাপাশি নারী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হয়েছে।
এই সময়কালে যতগুলো ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে খুলনায় উৎসব মণ্ডল নামে এক তরুণকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে প্রায় মেরে ফেলা (পরবর্তীতে ওই তরুণের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি); গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে চুরির অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী শ্রমিক হৃদয়কে রশি দিয়ে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা; লালমনিরহাটে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সেলুনকর্মী পরেশ চন্দ্র শীল ও তার ছেলে বিষ্ণু চন্দ্র শীলকে মারধর; সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার একেএম নুরুল হুদার ওপর হামলা; রংপুরের তারাগঞ্জে ভ্যান চোর সন্দেহে রূপলাল দাস ও প্রদীপ দাস নামের দুজনকে পিটিয়ে হত্যা; বিভিন্ন স্থানে মব সৃষ্টি করে নারীদের খেলা ও গানের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া উল্লেখযোগ্য।
মূলত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক, গোষ্ঠীগত বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে স্বৈরাচারের দোসর বা এ ধরনের তকমা দিয়ে মব সৃষ্টি করা হয়েছে। অনেক সময় এসব ঘটনায় কট্টরপন্থি ধর্মভিত্তিক গোষ্ঠীকে সমর্থন দিতেও দেখা গেছে। যদিও সদ্য বিদায়ী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ‘মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছু নেই’ এবং সদ্য বিদায়ী প্রেস সচিব শফিকুল আলমের মবকে ‘প্রেশার গ্রুপ’ বলে মন্তব্য এই ধরনের ঘটনাকে বৈধতা দিয়েছে।
পরিহাসের বিষয় হলো, অনেক ঘটনার পরেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো বিবৃতিতে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এবং ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এমন ঘটনাও ঘটেছে যে, যেদিন এই বিবৃতি এসেছে, সেদিনও মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি সেনাবাহিনীর তরফেও মব সহিংসতার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার ঘোষণাও পরিস্থিতি উন্নয়নে খুব একটা ভূমিকা রাখতে পারেনি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে, যারা মব করছে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও বেশি শক্তিশালী।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একটি দল বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত হলে সেটিকে ‘বেআইনি সমাবেশ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বেআইনি সমাবেশ যদি সহিংস হয়, তাহলে সেটিকে ‘মব’ বা ‘দাঙ্গা’ (Riot) হিসেবে ধরা হতে পারে। অর্থাৎ অপরাধমূলক শক্তি প্রয়োগ করে বা সেই শক্তির ভয় দেখিয়ে সরকার, আইনসভা, বা কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে বাধা দেওয়া; কোনো আইন কার্যকর করার প্রক্রিয়া বা আইনি প্রক্রিয়ার বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা; কোনো ধ্বংসাত্মক কাজ, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্য কোনো অপরাধ করা; অপরাধমূলক শক্তি প্রয়োগ করে বা সেই শক্তির ভয় দেখিয়ে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো সম্পত্তির দখল নেওয়া, অথবা তাকে তার উপভোগাধীন অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অপরাধমূলক শক্তি প্রয়োগ করে বা সেই শক্তির ভয় দেখিয়ে কোনো ব্যক্তিকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা, যা সে আইনত বাধ্য নয়, অথবা তাকে এমন কিছু করতে বাধা দেওয়া, যা সে আইনত করতে সক্ষম। এর সবই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর এই ধরনের মবের মাধ্যমে কাউকে মেরে ফেলা হলে সেটি দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।
এটা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে যতগুলো বড় বড় মব হয়েছে, সরকার চাইলে খুব সহজেই এগুলো প্রতিহত করতে পারতো। বিশেষ করে সেনাবাহিনী যখন বিচারিক ক্ষমতাসহ মাঠে রয়েছে। কিন্তু এগুলো সরকার প্রতিহত করেনি। কেন করেনি? সরকার কি চেয়েছে যে ওই স্থাপনাগুলো ভাঙা হোক বা ওই লোকগুলো আক্রমণের শিকার হোক? খোদ আদালত প্রাঙ্গণে অনেক আসামির ওপর হামলা হয়েছে। অনেক ঘটনায় খোদ আইনজীবীরা যুক্ত ছিলেন, এমন দৃশ্যও দেখা গেছে। অথচ একজন আসামির রাজনৈতিক পরিচয় বা তার অপরাধের মাত্রা যাই হোক না কেন, আদালত হচ্ছে নিরপেক্ষ জায়গা; সেখানে কারো ওপর হামলা চালানোর সুযোগ নেই। যদি বিচারের আগেই এই্ ধরনের হামলা হয়, সেটি স্পষ্টত আদালতের অসম্মান। ফলে অনেকের মনেই এই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে, সরকার কি আসলেই মব প্রতিহত করতে চেয়েছে?
আশার সংবাদ হলো, ‘বাংলাদেশে মব কালচার শেষ’ বলে মন্তব্য করেছেন নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে মব কালচারকে কোনোভাবেই উৎসাহিত করা হবে না।’ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দাবি-দাওয়া থাকবে, যথাযথ প্রক্রিয়ায় মিছিল ও সমাবেশ করা যাবে। আইনানুগ সব ধরনের গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু দাবি আদায়ের জন্য মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ, কিংবা মব কালচার—এগুলো সহ্য করা হবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারি জনমনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফেরাবে। কিন্তু এটা যাতে কথার কথায় না থাকে, বরং যেকোনো স্থানে মব সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গেই যাতে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। জনমনে এই প্রতীতি জন্মাতে হবে যে, সত্যিই মবের দিন শেষ। কিন্তু তারপরও কেউ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো অজুহাত তুলে মব সৃষ্টি করলে বা এরকম পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে জরুরি সেবাদানকারী ফোন নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চাইতে হবে। সেইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যতগুলো বড় মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ কোনো উসিলায়, কোনো ট্যাগ দিয়ে মব সৃষ্টি করার সাহস না পায়। গত দেড় বছর ধরে দেশের মানুষ একটা দমবন্ধকরা পরিবেশের মধ্যে বসবাস করেছে শুধু মবের ভয়ে। এই ভয় থেকে নাগরিকদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। সেজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি।