২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
লেখক-গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সমন্বয়ক।
একদিকে চীনের সিপিইসি বিনিয়োগ ও গোয়াদর বন্দর, অন্যদিকে মার্কিন স্বার্থ ও ভারত মহাসাগরীয় সামরিক প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে বেলুচিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইরান ও ভারতের বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক স্বার্থের সংযোগস্থলে পরিণত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র যখন নিষেধাজ্ঞা, সামরিক শক্তি আর প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার কৌশলে মত্ত, চীন তখন নীরবে বিশ্ব অর্থনীতির নতুন নিয়মকানুন বিনির্মাণ করে চলেছে। উৎপাদন, জ্বালানি ও অবকাঠামো নির্মাণে চীনের এই নীরব বিপ্লব কি ২০৩০-এর দশকে বদলে দেবে বিশ্বের এক নম্বর পরাশক্তির নাম?
একটি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, যার কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই, নেই কোনো বিশাল নৌবহর। অথচ ছয় দশক ধরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক পরাশক্তি তাকেই ভাবছে নিজের জন্য ‘হুমকি’! আসলেই কি কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো ঐতিহাসিক সত্য?
আকসা ও জিসোমিয়া চুক্তি কি বাংলাদেশের সামরিক আধুনিকায়নের সুযোগ, নাকি স্বায়ত্তশাসন হারানোর কৌশলগত ফাঁদ? ইন্দো-প্যাসিফিকে মার্কিন-চীন দ্বৈরথের মাঝে দাঁড়িয়ে কোন পথে হাঁটছে বাংলাদেশ?
পুতিনের বেইজিং সফর মূলত বিশ্বরাজনীতির একটি স্ন্যাপশট, যেখানে দেখা যাচ্ছে দুই বৃহৎ শক্তি মিলে একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থার নকশা আঁকছে।
একসময়ের প্রমত্তা তিস্তা আজ শুষ্ক মৌসুমে তামাক চাষের ধু-ধু মাঠ, আর বর্ষায় ঘরবাড়ি ভাসানো আতঙ্কের নাম। উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের এই দীর্ঘদিনের কান্না মুছতে পারে যে মহাপরিকল্পনা, তা কেন বছরের পর বছর ধরে ফাইলবন্দি হয়ে আছে? দিল্লি আর বেইজিংয়ের দ্বন্দ্বে তিস্তার ভবিষ্যৎ কি তবে অন্ধকারেই থেকে যাবে?