১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩
লেখক-গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সমন্বয়ক।
ব্রিকস হয়তো সহসাই ডলারের সিংহাসন দখল করবে না, কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতিকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে যেখানে একটি মাত্র মুদ্রার রাজত্ব আর থাকবে না।
শুল্কযুদ্ধের পথ ধরে কি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব স্থায়ী অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে যাচ্ছে?
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত শাসক দলের আদর্শিক ঝোঁক দ্বারা নির্ধারিত হয়, জাতীয় স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে নয়। এই দলীয়করণ কূটনৈতিক ধারাবাহিকতাকে বিপন্ন করে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগ, গণগ্রেপ্তার আর প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন বর্জনের মুখে দাঁড়িয়ে আজাদ জম্মু-কাশ্মীর কি স্বায়ত্তশাসনের লড়াইয়ের দিকে যাচ্ছে?
একদিকে চীনের সিপিইসি বিনিয়োগ ও গোয়াদর বন্দর, অন্যদিকে মার্কিন স্বার্থ ও ভারত মহাসাগরীয় সামরিক প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে বেলুচিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইরান ও ভারতের বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক স্বার্থের সংযোগস্থলে পরিণত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র যখন নিষেধাজ্ঞা, সামরিক শক্তি আর প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার কৌশলে মত্ত, চীন তখন নীরবে বিশ্ব অর্থনীতির নতুন নিয়মকানুন বিনির্মাণ করে চলেছে। উৎপাদন, জ্বালানি ও অবকাঠামো নির্মাণে চীনের এই নীরব বিপ্লব কি ২০৩০-এর দশকে বদলে দেবে বিশ্বের এক নম্বর পরাশক্তির নাম?