০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়, এগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও সামাজিক জবাবদিহিতা না থাকার প্রতিফলন,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
যখনই জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে নির্মোহ গবেষণা ও বিশ্লেষণ করা হবে, সেখানে অবশ্যম্ভাবীভাবে মব শব্দটি যে চলে আসবে, তাতে সন্দেহ নেই।
সাদ্দামের সন্তান-স্ত্রীর লাশ শনিবার সন্ধ্যায় নেওয়া হয় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে, সেখানে তাদের শেষবারের মত ছুঁয়ে দেখেন তিনি।
সীমান্তে প্রাণহানির এ প্রবণতা অব্যাহত থাকা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, দুই প্রতিবেশী দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও আস্থার সম্পর্কের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক, বলছে প্রতিষ্ঠানটি।
‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়ে গত সাত মাসে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র-আসক। এর মধ্যে শনিবার চোর সন্দেহে রংপুরের তারাগঞ্জে দুই হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এসব নৈরাজ্যকর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ার কথা বলছেন সাধারণ মানুষ।
“এ ধরনের নির্মম ঘটনা মানবাধিকারের ভিত্তিকে সরাসরি আঘাত করে,” বলছে সংস্থাটি।
এই চার মৃত্যুর দায় ‘সরকার এড়াতে পারে না’ মন্তব্য করে আসক সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে।
“স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এ ধরনের মামলা কিংবা চাকরিচ্যুতির ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত,” বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে আসক।