Published : 28 Aug 2026, 10:35 PM
ভোররাতে নয়, গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে দিনের আলো ফোটার পর। সিঁড়িতে নয়, গণপতিবাবুর স্ত্রী প্রীতিলতা ও তাদের মেয়ে আগামীকেও হত্যা করা হয়েছে সকালে, খোলা ছাদে। হত্যার পর তাদের মরদেহ সরিয়ে সিঁড়িতে রাখা হয়েছে।
শুধু ইয়াবা সেবন করতে গিয়ে তাদের দেখে ফেলার ভয় নয়, জমিজমা নিয়ে বিরোধের সম্ভাবনাও সামনে এনে রংপুর পুলিশ তাদের দেওয়া আগের ভাষ্য পাল্টে ফেলেছে।
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো সংবাদ সম্মেলন করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ। এর মধ্যে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হলেও আজ আবারও সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন রংপুর পুলিশের বিদায়ী কমিশনার আবদুল মাবুদ।
পুলিশের আজকের ভাষ্য
পুলিশের আজকের ভাষ্য সংক্ষেপে এ রকম:
গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করতে যেতেন গ্রেপ্তার হওয়া দুই তরুণ সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। পাশের বাড়ির ছাদ ফাঁকা থাকলেও গণপতি চক্রবর্তীর ছাদে দেয়াল থাকায় বাইরে থেকে সহজে দেখা যেত না। এ কারণে তারা পানির ট্যাংকের আড়ালে বসে ইয়াবা সেবন করতেন। ঘটনার রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আটটি ইয়াবা সেবন করেন। কিন্তু সকালের দিকে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে হাঁটতে গিয়ে তাদের দেখে ফেলেন। তিনি ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘তোরা এত সকালে কী করিস?’ ধমক খেয়ে আত্মসম্মানে আঘাত লাগায় তারা গণপতি চক্রবর্তীর গলায় গামছা পেঁচিয়ে টান দিয়ে তাকে হত্যা করেন।
এরপর ‘সম্ভবত’ গণপতিবাবুর শব্দ শুনে তার স্ত্রী ও মেয়ে ছাদে চলে আসেন। তারা চিৎকার করলে মুগ্ধ গণপতির গলায় থাকা গামছা দিয়ে তার স্ত্রীর গলা চেপে ধরেন। আর সিদ্ধার্থ এক হাতে মেয়ের গলা এবং অন্য হাতে তার মুখ চেপে ধরেন। পরে দুজন মিলে গামছা দিয়ে মেয়ের গলায় পেঁচিয়ে ধরেন।
তাতেও তার মৃত্যু না হলে কবুতরের খাবার রাখার বাক্সের পাশ থেকে রশি এনে গলায় পেঁচিয়ে দুই দিক থেকে টান দেন। এতে আগমীর মৃত্যু হয়। এরপর ছাদে পাওয়া একটি পুরোনো প্লাস দিয়ে দুজনে নিচতলায় গিয়ে বিদ্যুতের তার কেটে দেন। মূলত বাড়িতে সিসিটিভি থাকার আশঙ্কায় তার কাটা হয় বলে তারা আদালতে জানিয়েছে।
এরপর দুজন আবার ছাদে গিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ সিঁড়িতে নিয়ে আসেন। পাশের বাড়ির ছাদ মাত্র দুই ফুট দূরে হলেও সেখান থেকে যেন মরদেহ দেখা না যায়, সে জন্য এভাবে রাখা হয়। দুই তরুণ গণপতি চক্রবর্তীর কক্ষে ঢোকার পর তার ছেলে আয়ুশ ঘুম থেকে উঠে সিদ্ধার্থকে দেখে ফেলে। এরপর তারা কাপড় দিয়ে গলা পেঁচিয়ে শিশুটিকেও হত্যা করে।
রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যার ঘটনায় মহানগর পুলিশের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
পুলিশ আগে কী বলেছিল?
২৩ তারিখের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলেছিল, গণপতি চক্রবর্তীকে ভোরে বাসার ছাদে, তার স্ত্রী ও মেয়েকে ছাদে ওঠার সিঁড়িতে এবং ১২ বছর বয়সী শিশুটিকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুটির ওপর হামলা চালানো হয়।
আজকের সম্মেলনে হত্যার কারণও পাল্টে গেছে। গত রোববার পুলিশ বলেছিল, বাসার ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে দুই তরুণ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
আজকের ভাষ্য হলো, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে সিদ্ধার্থদের অসন্তোষও থাকতে পারে। গণপতি চক্রবর্তীরা সিদ্ধার্থের পূর্বপুরুষের জমি কিনেছিলেন। সেই জমি তুলনামূলক বেশি দামে কেনা হলেও সিদ্ধার্থের পরিবারের শরিকেরা তাদের প্রাপ্য টাকা পাননি—এমন একটি বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুই দিনের বক্তব্যে এত তফাত কেন?
এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, আগে তিনি যা পেয়েছিলেন, সেটিই বলেছেন; আর আজ যা বলেছেন, তা আদালতে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য। এরপর সাংবাদিকদের আর কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন। তার মানে আগের বয়ান সত্য নয়? তাহলে একটা মিথ্যা বয়ানকে যথাযথ যাচাই না করে মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করা কি ঠিক হয়েছে? এতে কি পুলিশি বয়ানের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়নি?
একই রকম শার্টের বিষয়টি সুরাহা হয়নি
গ্রেপ্তারের সময় সিদ্ধার্থের গায়ে থাকা শার্টটি ২২ তারিখ উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় রংপুর ডিবি পুলিশের এসি সনাতন চক্রবর্তীর গায়ে দেখা গেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শার্টটি তিনি আড়ং থেকে কিনেছেন। একই রকম শার্ট রংপুরে আরও ২০০ জনের আছে বলেও তিনি দাবি করেন।
একবারে ২০০ জনের সংখ্যাটি তিনি ঠিক কীভাবে বললেন, সেটি যেমন বোধগম্য নয়, তেমনি আড়ংয়ের এক ব্যবস্থাপকের বক্তব্যেও নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তিনি একটি দৈনিক পত্রিকাকে বলেছেন, গত কয়েক মাসে এই শার্ট আড়ংয়ে আসেনি; কোনো এক ফেস্টিভ্যালে অল্প কিছু শার্ট এসেছিল। তার মানে শুধু রংপুরেই ২০০ মানুষের কাছে এই শার্ট আছে—এই দাবিটি সত্য নয়?
অন্যদিকে সিদ্ধার্থের বাবা-মা জানিয়েছেন, তাদের ছেলের এমন কোনো শার্টই নেই। ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় তার গায়ে টি-শার্ট ছিল। অবশ্য শার্ট একটি, নাকি দুটি—তার সহজ সমাধানও আছে। দুটি শার্ট গায়ে দিয়ে দুজনকে একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির করলেই আপাতত এই বিতর্কের একটি দৃশ্যমান সমাধান হতে পারত।
আগামী চক্রবর্তী কি ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন?
মরদেহের সুরতহালের কাজে সম্পৃক্ত ডোম একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, তারা আগামীর যৌনাঙ্গে শুক্রাণুর উপস্থিতি দেখেছেন। তার ধারণা, আগামী ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু পুলিশ ও চিকিৎসক ভিন্ন কথা বলছেন।
এ ক্ষেত্রে বিষয়টির সমাধান তো খুব সহজ—ফরেনসিক পরীক্ষা। ডিএনএ পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ দিতে পারে। কিন্তু সিআইডির এক কর্মকর্তা একটি টিভি চ্যানেলকে বলেছেন, ভিকটিমের কোনো নমুনাই এখনো ল্যাবে পাঠানো হয়নি।
তাহলে প্রশ্ন হলো, ফরেনসিক পরীক্ষা না করে, কোনো নমুনা না পাঠিয়ে ডাক্তার বা পুলিশ কীভাবে এতটা নিশ্চিত হচ্ছেন আগামী ধর্ষণের শিকার হননি? আগ বাড়িয়ে এসব কথা কেন বলতে হচ্ছে তাদের?
আমরা ডোমের কথাকেও শতভাগ সত্য ধরে নিচ্ছি না। তিনি তার অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন। কিন্তু ফরেনসিক পরীক্ষা করতে অসুবিধাটা কোথায়—সেটিই আমাদের বোধগম্য নয়।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল কোথায়?
আজকের সংবাদ সম্মেলনে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, দুজনে মিলে মিটারের লাইন কেটে দিয়েছিল, যাতে সিসিটিভি থাকলে তা বন্ধ হয়ে যায়। অথচ শনিবার রাত ১টার দিকে যখন উদ্ধারকাজ চালানো হয়, তখন বাড়িটি ছিল অন্ধকার। স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ান উজ্জ্বল কুমার বর্মন পিলারে উঠে দেখেন, সেখানেই বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন। অর্থাৎ নিউট্রাল ও ফেজের তার পুরোপুরি খোলা ছিল।
তাহলে কোনো একজনের বক্তব্য ভুল? কার বক্তব্য ভুল? অন্যদিকে মিটারের তারের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তারটি পুরোনো ও অক্ষত। কোথাও কাটার স্পষ্ট চিহ্ন নেই। নতুন তারের সংযোগ দেওয়া হয়ে থাকলে পুরোনো তার অক্ষত অবস্থায় থাকার বিষয়টিও প্রশ্ন তৈরি করে।
বাড়ি ধুয়ে ফেলা নিয়ে গরমিল
২৬ অগাস্ট সন্ধ্যায় পানির মোটর ছেড়ে দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর পরিত্যক্ত বাড়ি ধুয়ে-মুছে সব আলামত নষ্ট করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার থেকেই বাড়িটি পুলিশ পাহারায় রয়েছে। বাড়িতে ২৪ ঘণ্টা লাইট জ্বলছে। গতকাল সন্ধ্যায় বাড়িটি অন্ধকার হয়ে যায় এবং মোটরের শব্দ শোনা যায়।
এসব দেখে সেখানে এগিয়ে যান ‘আসামি’ সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস। তার দাবি, তিনি আসার পর দুজন লোক তাড়াহুড়ো করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যকে মোটর চালু হওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তাকে বলা হয়, মোটর নাকি এমনিতেই চালু হয়ে গেছে।
পার্থ মাটিতে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি শুরু করেন। তার ধারণা, তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
সিদ্ধার্থের বাবা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ফোন করেন। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের কর্মী সেখানে ছুটে আসেন। সংবাদমাধ্যম আসার খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের এসি সনাতন চক্রবর্তীও সেখানে যান।
সংবাদকর্মীরা যখন তাকে মোটর চালুর বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন, সনাতন বলেন, ‘কোনো মোটর চালু হয়নি।’ তাহলে পানি এল কোথা থেকে? এত থকথকে পানি যে সেখানে পা রাখাই যাচ্ছিল না—তার ব্যাখ্যাও দরকার। সনাতন বলেন, ‘ট্যাংক চুইয়ে পানি পড়েছে।’ পরে আবার জানান, ভুল করে লাইটের সুইচ দিতে গিয়ে মোটর চালু হয়ে গেছে।
সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন, মোটর ও লাইটের সুইচ কি একই জায়গায়? এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘দেখতে হবে।’ অর্থাৎ যিনি নিজেই জানেন না যে লাইট ও মোটরের সুইচ কোথায়, তিনি কীভাবে এতটা নিশ্চিত হয়ে বক্তব্য দিয়ে ফেললেন?
ঘটনার সময় বদলে যাওয়ার কারণ কি আগমীর টেক্সট?
আজকের সংবাদ সম্মেলনের পর জনমনে এই প্রশ্ন উঠছে যে, ভোররাতের পরিবর্তে হত্যার সময় সকাল দেখানোর কারণ কি আগামীর পাঠানো টেক্সট?
আগামী তার এক বান্ধবীকে দেওয়া একটি টেক্সটে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে লিখেছিলেন, ‘সব জায়গায় কারেন্ট থাকলেও তাদের বাসায় নেই।’ তার অর্থ এই দাঁড়ায় যে তখনও আগামী ও তার পরিবারের সদস্যরা জীবিত ছিলেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই টেক্সট সামনে আসার কারণেই কি পুলিশ তাদের আগের বক্তব্য পরিবর্তন করেছে?
অনুমান নয়, প্রমাণের শক্তিতে উদঘাটিত হোক সত্য
আজকের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছে। কিন্তু সেখানে যেসব কথা বলা হয়েছে, তার সুর ছিল অনেকটাই অনুমাননির্ভর। ‘হতে পারে’, ‘সম্ভবত’, ‘আশঙ্কা’—এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। একটি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া ভুল তথ্যকে খণ্ডাতে গিয়ে আয়োজন করা আরেকটি সম্মেলনের ভাষাও ‘সম্ভাবনার’।
অথচ আমরা জানি, তদন্তে শেষ কথা হলো প্রমাণ; গল্প নয়, অনুমান নয়। একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে পুলিশের আজকের প্রেস ব্রিফিং হত্যাকাণ্ডের কুলকিনারা করার পরিবর্তে জনমনে আরও প্রশ্ন তৈরি করেছে, মানুষের মনে অবিশ্বাস তৈরি করেছে।
যথাযথ প্রমাণ হাতে পাওয়ার আগেই পুলিশ যত বেশি কথা বলছে, ততই নিজেদের বক্তব্যের অসংগতির মধ্যে জড়িয়ে পড়ছে। মানুষের মনে তৈরি হচ্ছে অজস্র প্রশ্ন।
অথচ মানুষের চাওয়া খুব সামান্য—তারা প্রশ্নের উত্তর চায়। তারা চায় প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক, প্রমাণের ভিত্তিতে সত্য উদ্ঘাটিত হোক আর দোষীদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হোক।
রাজু নূরুল উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ও লেখক। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পূর্ব আফ্রিকার কয়েকটি দেশে পরিচালিত প্রকল্পে ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত। ই-মেইল: raju_norul@yahoo.com
আরও পড়ুন:
গণপতি পরিবার হত্যা: পুলিশি বয়ানের আড়ালে যে প্রশ্নগুলো রয়ে গেছে
রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যা: জবানবন্দিতে নতুন তথ্য, ডিএনএ ও ডোপ টেস্ট হবে ২ আসামির
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা মা
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: ‘সিসিটিভি ক্যামেরার ভয়েই বিদ্
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা মা
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: মু
রংপুরে শিক্ষক পরিবারে ৪ খুন:
গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারকে হত্
'ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায়'
গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের আর
'ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায়'
ফোনে না পেয়ে বাসায় এসে বো
রংপুরে ৪ খুন: শিক্ষক পরিবারের
রংপুরে শিক্ষক পরিবারকে হত্যা: 'এক ভয়াবহ বার্তা'
রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যা: মা-মেয়েকে ধর্ষণের ‘আলামত পাননি’ ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক