ঝড় তোলা ‘কে-পপ ডিমন হান্টার্স’ জিতল দুই অস্কার
‘গোল্ডেন’ বিশ্বের সব মিউজিক চার্ট দখল করে নিয়েছিল।
নেটফ্লিক্সের ব্লকবাস্টার ‘কে-পপ ডিমন হান্টার্স’ এবারের অস্কারে দুটি পুরস্কার জিতে নিয়েছে।
একটি সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্মের শাখায়, আরেকটি সেরা মৌলিক গান শাখায়’ সিনেমার গোল্ডেন শিরোনামের গানটি এই শাখায় জয় করেছে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
বিলবোর্ড লিখেছে গত বছর মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে শিশু-কিশোর থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের মন জয় করা এই সিনেমার থিম সং ‘গোল্ডেন’ বিশ্বের সব মিউজিক চার্ট দখল করে নেয়।
সিনেমার ব্যান্ড ‘হান্টার/এক্স’-এর কণ্ঠশিল্পী ইজে, রেই অ্যামি ও অড্রে নুনা অস্কারের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ‘গোল্ডেন’ গেয়ে শোনান। কে-পপ কনসার্টের মতই দর্শকদের হাতে সে সময় ছিল উজ্জ্বল লাইট স্টিক।
সেরা গানের পুরস্কার নেয়ার সময় কান্নাভেজা গলায় ইজে বলেন, “বেড়ে ওঠার সময় কে-পপ পছন্দ করতাম বলে অনেকেই বিদ্রুপ করত। কিন্তু এখন সবাই আমাদের গান ও কোরিয়ার ভাষায় লিরিকগুলো গাইছেন। আমি অত্যন্ত গর্বিত।”
‘গোল্ডেন’ এর জন্য সেরা গানের ট্রফি হাতে নিয় কলাকুশলীদের বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই অস্কার কর্তৃপক্ষ সমাপনী সঙ্গীত বাজানো শুরু করে। ফলে সবার বক্তব্য শেষ করার আগেই মঞ্চ ছেড়ে যেতে হয় ‘গোল্ডেন’ গানের শিল্পীদের। এমন আচরণে বেশ ক্ষেপেছেন কে-পপ ভক্তরা। অনেকেই সমালোচনা করে সোশার মিডিয়াকে বিষয়টিকে ‘অসম্মানজনক’ আখ্যা দিয়েছেন। অনেকে আবার লিখেছেন ‘রূঢ় আচরণ’। কেউ আবার বলেছেন, অন্যান্য পর্বের পারফরম্যান্সগুলো ছোট করে ‘বক্তব্য দেওয়ার সময় বাড়ানো যেত’।
সেরা অ্যানিমেটেড সিনেমা পুরস্কার গ্রহণ করেন পরিচালক ম্যাগি ক্যাং ও ক্রিস অ্যাপেলহান্স এবং প্রযোজক মিশেল এলএম ওং।
প্রথমবার অস্কার জয়ী ম্যাগি ক্যাং বলেন, “এই জয় কোরিয়া ও সারাবিশ্বের সব কোরিয়ানদের জন্য। এবং তাদের জন্য যারা আমার মত দেখতে তাদের জন্য। আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে, এমন একটা সিনেমায় আমাদের নিজেদের দেখাতে এতটা অপেক্ষা করতে হয়েছে। এখন এটা এসেছে। পরের প্রজন্মকে আর অপেক্ষা করতে হবে না।”
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের আসরে সেরা সিনেমা, সেরা নির্মাতাসহ ২৪ শাখায় পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
বছরের প্রতিক্ষীতি জমাকালো এই আসর বসে রোববার সন্ধ্যায়। দ্বিতীয়বারের মত অস্কারের আসর সঞ্চালনা করেন কমেডিয়ান কোনান ও’ব্রায়েন।
