১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

এক বছরে ২১ টেস্টের সবকটি খেলতে চান কামিন্স

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের ব্যস্ততম মৌসুম শুরু হবে।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jun 2026, 01:10 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:20 PM

চোট কাটিয়ে আইপিএলে ফিরে ভালোভাবেই উতরে গেছেন প্যাট কামিন্স। এখন তার পরিকল্পনা, টেস্ট ম্যাচের জন্য পুরোপুরি ফিট হয়ে ওঠা। সামনেই অপেক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মৌসুমের ব্যস্ততম সময়। সেখানে একটি টেস্টেও মাঠের বাইরে থাকতে চান না অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।

চোটের কারণে গত অ্যাশেজে স্রেফ একটি টেস্ট খেলতে পেরেছিলেন কামিন্স। গত ১১ মাসে তার একমাত্র টেস্ট ম্যাচ সেটি। অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে অধিনায়কও তিনি, কিন্তু গত দেড় বছরে এই সংস্করণে দেশের হয়ে তাকে দেখা যায়নি। টি-টোয়েন্টিতে খেলছেন না দুই বছর ধরে। 

সামনেই শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার তুমুল ব্যস্ত সময়। অগাস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ দিয়ে শুরু, পরের ১১ মাসে মোট ২০টি টেস্ট নিশ্চিতভাবেই খেলবে তারা। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠলে টেস্ট হবে ২১টি।

এই সবগুলি ম্যাচেই খেলতে চান কামিন্স। চোট কাটিয়ে আইপিএলে ফিরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে ৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৩৩ বছর বয়সী তারকা অ্যামাজন প্রাইমে বললেন, এখন তৈরি হতে চান টেস্ট ম্যাচের জন্য। 

“শরীরটা খুব ভালো অবস্থায় আছে। স্ক্যান করিয়েছি, সবকিছু ঠিক আছে। এখন পরবর্তী ধাপ হলো দিনে ২০ ওভার বল করার জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং টেস্ট ম্যাচে প্রতিদিন কাজটির পুনরাবৃত্তি করা।”

“সৌভাগ্যের ব্যাপার হলো, গত এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে খুব বেশি খেলিনি আমি, তাই শারীরিকভাবে যতটা সম্ভব ভালো অবস্থায় খেলতে নামছি। আশা করছি, সবগুলো ম্যাচই খেলব, কিন্তু আমি নিশ্চিত যে এর মধ্যে বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটবে।”

কামিন্সের মতো একই চ্যালেঞ্জ থাকবে পেস আক্রমণে তার দীর্ঘদিনের দুই সঙ্গী মিচেল স্টার্ক ও জশ হেইজেলউডের সামনেও। তবে তিনজনই যে সব টেস্টে খেলতে পারবেন না, সেই বাস্তবতা কিছুটা মেনেই নিচ্ছেন অধিনায়ক।

“এই তিনজন বোলারই যদি ২১টি টেস্টে খেলে, তবে তা হবে খুবই আশ্চর্যজনক হবে... দলে কিছুটা রদবদল হতে পারে। এটা (এত বেশি টেস্ট) এক প্রকার নজিরবিহীন।”

এক বছরে ওই ২১ টেস্টের ফাঁকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও খেলা আছে অস্ট্রেলিয়ার। তবে সেগুলোয় খেলার ইচ্ছে খুব একটা নেই কামিন্সের। 

“টেস্ট ম্যাচগুলোকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং এর বাইরে খুব বেশি কিছু খেলব না। সাদা বলের ক্রিকেটে কিছু ম্যাচ আছে, কিন্তু আমার মনে হয়, টেস্ট ম্যাচের পর শরীর কেমন থাকে, সেটির ওপরই কিছুটা নির্ভর করবে।”

চোটের সঙ্গে আরও তীব্র লড়াই করতে হয়েছে হেইজেলউডকে। অ্যাশেজের একটি টেস্টও তিনি খেলতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার সবশেষ ২০ টেস্টের ১০টিতে কেবল তাকে পাওয়া গেছে। 

তবে চোট কাটিয়ে ফিরে আইপিএলে ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে। ৩৫ বছর বয়সী পেসারকে এত ম্যাচ খেলতে দেখে স্বস্তি পাচ্ছেন অধিনায়ক কামিন্স। 

“বোলিং ব্যাপারটা বেশ মজার , একবার ছন্দে চলে এলে অনেক খেলা যায়।

“জশের (হেইজেলউড) মতো কারও জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো, আবার উঠে দাঁড়িয়ে খেলা শুরু করা। মাঠে ফেরার পথে তার কিছু ছোটখাটো চোট ছিল, তাই তাকে অনেক ম্যাচ খেলতে দেখাটা দারুণ ব্যাপার।”