মিয়ানমারে সংঘাত: সীমান্তে বড় দুশ্চিন্তা শিশুদের নিয়ে

ওপার থেকে আসা মর্টার শেলের বিস্ফোরণে দুজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি দুটি শিশুও আহত হয়েছে। বাবা মা সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। নিরাপত্তার জন্য পাঠিয়ে দিচ্ছেন দূরে স্বজনদের কাছে।

গোলাম মর্তুজা অন্তুঘুমধুম সীমান্ত থেকেবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 8 Feb 2024, 07:31 PM
Updated : 8 Feb 2024, 07:31 PM

মিয়ানমারে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর জীবনধারা এমনিতেই বদলে গেছে, শত উদ্বেগের মধ্যে অনেক পরিবারে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে সন্তানের নিরাপত্তা।

যুদ্ধ আর গুলির ভেসে আসা আওয়াজে শিশু মন আগ্রহী হয়ে ওঠে। মন চায় উঁকি ঝুঁকি মারতে। তাতে বেড়ে যায় ঝুঁকি। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় একটি ‘অবিস্ফোরিত’ মর্টার শেল উদ্ধার করা হয়েছে, যেটি খুঁজে পেয়ে বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিল চার শিশু।

অভিভাবকদের একটি বড় অংশ সন্তানদের দূরে স্বজনদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। দুই দিন ধরে গোলাগুলি কমায় ফিরেছেন কেউ কেউ। তবে সব গোছগাছ করে রাখা আছে, ফের গোলাগুলি শুরু হলে আবার সন্তানদের পাঠিয়ে দেবেন।

মিয়ানমারের যুদ্ধ এবার সন্তান ও বাবা-মায়ের মধ্যে সাময়িক বিচ্ছেদের কারণ হয়ে যাচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় মানুষের পেশা থেকে শুরু করে স্বাভাবিক জীবনাচরণে যে ছেদ পড়েছে, তা সহসা স্বাভাবিক হবে এমন আশা করতে পারছেন না এলাকাবাসী। বরং ওপারে আরো সংঘাতের আশঙ্কা করছেন তারা।  

ওপার থেকে আসা মর্টার শেলের বিস্ফোরণে দুজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি দুটি শিশুও আহত হয়েছে। স্থানীয় অনেকগুলো বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কোনো কোনো বিদ্যালয় খুললেও শিক্ষার্থীরা আসছে না। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার সীমান্তবর্তী কেন্দ্রগুলো সরিয়ে নেওয়ার চিন্তাও চলছে।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিপি সদস্যের যে দুটো সন্তান ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবস্থান করছে, তাদেরও দিন কাটছে অনিশ্চয়তায়।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বেতবুনিয়া বাজারের পাশেই ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের একটি ভবনে এখন রাখা হয়েছে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা দুই শতাধিক বিজিপি সদস্যসহ অন্যদের। তবে স্কুলটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি।  

বৃহস্পতিবার নিজের কক্ষেই পাওয়া গেল স্কুলটির প্রধান শিক্ষক খাইরুল বশরকে। এই কয়দিন স্কুল খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তেমন ছিল না জানিয়ে তিনি বলছেন, “বাবা-মায়েরা হয়ত আতঙ্কে সন্তানদের পাঠাচ্ছেন না।”

স্কুলটিতে শিক্ষার্থী সব মিলিয়ে ৫১৫ জন। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় স্কুলের পেছনে মর্টার শেল পড়েছিল, তবে কেউ হতাহত হয়নি। এরপর থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি একেবারেই কম।

প্রধান শিক্ষক বলছেন, তার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে।

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষায় এই বিদ্যালয়টি তালিকাভুক্ত পরীক্ষা কেন্দ্র, যেখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০২ জন। মিয়ানমারে যদি আবার সংঘাত ও গোলাগুলি শুরু হয়, তাহলে কেন্দ্র সরিয়ে নিতে হবে।

প্রধান শিক্ষক জানান, তারা সাত কিলোমিটার দূরের উত্তর কুণ্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথাও হয়েছে।

পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃহস্পতিবার খোলা থাকলেও শিক্ষার্থী উপস্থিতি অনেক কম ছিল।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামালউদ্দীন মিয়াজী বলছেন, এলাকার অনেকেই শিশুদের অন্য জায়গায় রেখে এসেছেন। সে কারণে স্কুলে উপস্থিতি একেবারেই কম।

ওই বিদ্যালয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১১৮ জন বিজিপি সদস্যকে রাখা হয়েছিল। স্থানীয়দের কাছে ‘মগ’ নামে পরিচিত বিজিপি সদস্যদের ওখানে রাখা নিয়েও এলাকার অনেকে আতঙ্কিত।

সংঘাতময় পরিস্থিতিতে নাইক্ষ্যংছড়ির পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান বান্দরবানের ডিসি শাহ মোজাহিদ উদ্দিন।

স্প্লিন্টারে বিদ্ধ দুই শিশুর চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তা

ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় জলপাইতলি গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়ির বিধ্বস্ত রান্নাঘরটি বৃহস্পতিবার পুনঃনির্মাণ করা হচ্ছিল। গত সোমবার এই রান্নাঘরে মর্টার শেল পড়ে বাড়ির গৃহকর্ত্রী হোসনে আরা ও একজন রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহত হন।

টিলার মত উঁচু জায়গায় অবস্থিত বাড়িটিতে ঢোকার মুখেই দেখা গেল তিনটি শিশু ‘গুলি গুলি’ খেলছে। এদের একজন ৬ বছরের নুসরাত মনি। সেই মর্টার বিস্ফোরণে হাঁটুতে ও কোমরে আঘাত পেয়েছিল।

নুসরাতের বাবা শফিউল আলম দাঁড়িয়ে ছিলেন তার আরেক সন্তান আড়াই বছরের শোয়াইবকে কোলে নিয়ে।

মর্টার বিস্ফোরণের পর থেকেই শোয়াইবের শরীর ভালো যাচ্ছে না, প্রায়ই পা দেখিয়ে কান্নাকাটি করছিল। বুধবার তারা বুঝতে পারেন শোয়াইবের পায়েও কিছু একটা বিঁধে রয়েছে, বাম পা ফুলে উঠেছে।

নুসরাতকে কক্সবাজারে ডাক্তার দেখিয়েছেন তার বাবা। সেখানে এক্সরে করে দেখা গেছে তার পা ও কোমরে তিনটি ধাতব বস্তু বিঁধে রয়েছে। সেগুলো বিস্ফোরিত মর্টার শেলের স্প্লিন্টার হতে পারে বলে চিকিৎসক তাদের ধারণা দিয়েছেন।

এই ধাতব বস্তু শরীর থেকে বের করার অস্ত্রোপচার কক্সবাজারে সম্ভব নয় বলে চিকিৎসক তাদের জানিয়ে দিয়েছেন।

শফিউল বলছেন, একদিকে মা হারানোর শোক, আরেকদিকে সন্তান নুসরাত মনির আহত হওয়া। সব মিলিয়ে তারা আড়াই বছরের শিশু শোয়াইবের দিকে তেমন লক্ষ্যই রাখতে পারেননি। কিন্তু বুধবার রাত থেকে দেখা যাচ্ছে তার পা ফুলে উঠেছে।

প্রাণ হারানো হোসনে আরার কথা বলতে গিয়ে কেঁদে উঠছিলেন তার স্বামী বাদশা মিয়া। এর মধ্যে নাতি নাতনিদের এই দশা। কিছু বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসন থেকে সব রকমের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “শোয়াইবের পায়ে কী ঢুকে আছে আল্লাহই জানেন। ডিসি স্যার বলছে, তারা সব দেখবেন।”

বান্দরবানের ডিসি শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলছেন, গত মঙ্গলবার তিনি বাদশা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসন থেকে ২০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে এসেছেন। তখন পর্যন্ত তারা জানতেন মর্টার বিস্ফোরণে একটি শিশু আহত হয়েছে। সেই শিশুটির চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়ে এসেছেন।

বাবা-মা থেকে ‘দূরে’

অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অন্য এলাকায় পাঠিয়েছেন।

তুমব্রু গ্রামের অটোরিকশা চালক নুরুল আমিন বলছেন তার সংঘাত শুরুর পর থেকে তার তিন ছেলে ও তিন মেয়েকে তিনি থাইংখালীতে নিজের বোনের বাড়িতে রেখে এসেছেন। এদের দুইজনের স্কুল খোলা থাকলেও সেখানে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।

নুরুল আমিনের অটোরিকশায় সওয়ার হয়েছিলেন স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ান সোলায়মান মিয়া। বেতবুনিয়া বাজার থেকে ২৩০ টাকা দিয়ে ব্রয়লার মুরগি কিনে নিয়ে তার বাড়ি সীমান্ত গ্রাম তুমব্রুর দিকে যাচ্ছিলেন।

তার ঘর থেকে সীমান্ত দেখা যায়। তিনি ও স্ত্রী বুধবার ফিরেছেন। চার সন্তানকে এখনো আনেননি।

সোলায়মান বলেন, “বাচ্চাদের নিয়ে টেনশনে আছি ভাই। ওরা খুব ভয় পাইছিল। আমরা কষ্ট বলতে পারলেও ওরা তো পারে না। এই জন্য মামার বাড়ি পাঠায় দিছি।”

ভাজাবনিয়া বিদ্যালয় পার হয়ে আধ কিলোমিটার পরে ঢালু রাস্তা দিয়ে নেমে গেলে একটি চাকমা গ্রাম। হেডম্যান পাড়া নামের গ্রামটির প্রধান কানন কারবারির বাড়ি থেকে মিয়ানমারের কাঁটাতারের দূরত্ব শ খানেক গজ হবে। এরপরেই টিলার ওপর বিজিপির ক্যাম্প।

কানন কারবারি বলছেন, শিশুদের তারা সরিয়ে রেখেছেন। ক্ষেতের ফসল, গবাদি পশুর জন্য তারা রয়ে গেছেন। তবে তার পাশের একটি ছোট্ট দোকানের সামনে কয়েকটি শিশুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল।

একটি শিশুর মা উসাইনু চাকমা দোকানটা চালান। গোলাগুলি শুরুর পর তিনি বাচ্চাদের নিয়ে কক্সবাজারে চলে গিয়েছিলেন। বুধবারই ফিরেছেন এক সন্তানকে নিয়ে।

গোলাগুলির কারণে এই কয়দিন দোকানে কোনো মাল আনতে পারেননি বলে দোকানটি একেবারেই ফাঁকা। এক প্যাকেট বিস্কুটও কেনা গেল না দোকানটি থেকে।

সীমান্ত সংলগ্ন রহমতের বিল গ্রামের রুখসানা বুধবার বলেন, দুদিন আগে ঘরে গুলি এসে পড়ায় চার মেয়েকে নিয়ে আর থাকার সাহস হয়নি।

শিশুরা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করে বেড়ায়, কোথায় কী অঘটন ঘটবে সেই চিন্তায় তিনি সন্তানদের বালুখালিতে আত্মীয় বাড়িতে গিয়ে ছিলেন। বুধবার গোলাগুলি কমায় তারা ঘরে এসে উঠেছেন। তবে ফের ঘর ছাড়তে প্রস্তুত।

“বস্তা লেডি আছে”তা, এ কথা বলে বোঝালেন, শিশুদের জিনিসপত্রসহ বস্তা গুছিয়ে রেখেছেন, আবার গোলাগুলি শুরু হলেই ঘর ছাড়বেন।

রুখসানার ১১ বছরের মেয়ে ওপার থেকে আসা সেই রাইফেলের গুলি হাতে নিয়ে দেখিয়েছেও।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় গোলপাতার বনে একটি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল খুঁজে পায় চার রোহিঙ্গা শিশু। সেটি কী, বুঝতে না পেরে শেলটি কুড়িয়ে এক ফেরিওয়ালা কাছে বিক্রি করতে নিয়ে যায় তারা।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে শেলটি উদ্ধার করে বলে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান।

‘বাতাসে’ নানা কথা

বেতবুনিয়া বাজার থেকে যে রাস্তা তমব্রু হয়ে বাঁশবাড়ির দিকে চলে গেছে সেটির বাঁকে বাঁকে কখনো খুব কাছে এসে পড়ে কাঁটাতারের বেড়া। ওপারে টিলার ওপর মিয়ানমারের বিজিপি ক্যাম্পগুলো রাস্তা থেকে দেখা যায়। যাত্রাসঙ্গী সোলায়মান আর অটোচালক নুরুল আমিন যেতে যেতে ধারাভাষ্যের মত দিয়ে যাচ্ছিলেন।

তিনি বলে চলেছেন, “রোববার খুব গোলাগুলি হইল। মগরা (বিজিপি) সব পালিয়ে চলে এলো এদিকে। এখন ওপারের সবগুলো ক্যাম্প দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা।”

রাস্তা থেকেই ক্যাম্পে মানুষের চলাচল, রোদে নেড়ে দেওয়া জামা-কাপড় দেখা যাচ্ছে।

নুরুল আমিনের ভাষ্য, এখন যারা ক্যাম্পে আছেন, তারা সব বিদ্রোহী, যারা জান্তা সরকার সমর্থিত বিজিপি সদস্যদের হটিয়ে ক্যাম্পগুলো দখল করে নিয়েছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আবারও ক্যাম্পগুলো দখল করতে আসতে পারে এরকম কথা চাউর আছে সীমান্তজুড়ে।

ওই পথ ধরে যেতে যেতে দেখা গেল তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা। ওই বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১০০ জন বিজিপি সদস্যকে।

আরও কয়েক কিলোমিটার সামনে ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও বন্ধ। সেখানেও কিছু বিজিবি সদস্য বিশ্রাম করছিলেন।

ওরাও তো শিশু

সংঘাতময় মিয়ানমার থেকে গত কয়েকদিনে যে বিজিপি সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছিলেন, তাদের সঙ্গেও দুটি শিশু রয়েছে।

ওই দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে রাখা হয়েছে ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনতলার একটি ঘরে। একটি শিশুর বয়স হবে ১০-১১, আরেকটির ৫ বা ৬। সারা দিনই শিশু দুটিকে তিন তলার জানলা দিয়ে বিমর্ষ হয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়।

ঘুমধুম হাই স্কুলের সামনে দিয়ে যে এশিয়ান হাইওয়ে চলে গেছে, তার সড়ক বিভাজকের ওপর সারাদিনই বসে থাকেন উৎসুক মানুষ। শিশু দুটি কখনো বাইরে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকা মানুষ ও অন্য শিশুদের ইশারা দেয়, হাত নাড়ে। বাইরে থেকে বাংলাদেশের শিশুরাও কখনো ভেঙচি কাটে, হাত নাড়ে। এভাবেই সারা দিন কাটছে তাদের।

আরও পড়ুন:

Also Read: কুড়িয়ে পাওয়া মর্টার শেল বিক্রি করতে যাচ্ছিল রোহিঙ্গা শিশুরা

Also Read: অনুপ্রবেশের শঙ্কা শরণার্থী কমিশনের, শূন্যরেখায় মানুষের ভিড়

Also Read: মিয়ানমারের হেলিকপ্টার থেকে গুলি, বিজিপি ক্যাম্পে আগুন

Also Read: মিয়ানমারে যুদ্ধ: রাখাইনের যে খবর পাচ্ছেন ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা

Also Read: মিয়ানমারের যুদ্ধ ছেড়ে সশস্ত্র অনুপ্রবেশ, বাড়ি ছাড়ছেন স্থানীয়রা

Also Read: মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে দুজন আহত, শিক্ষার্থীশূন্য স্কুল

Also Read: নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে এসে পড়ল ৩ মর্টার শেল

Also Read: সীমান্তে ‘সর্বোচ্চ সতর্ক’ থাকার নির্দেশ বিজিবি মহাপরিচালকের

Also Read: হঠাৎ চেপে বসা এক যুদ্ধ

Also Read: মিয়ানমারের গুলি এসে ভেদ করল টেকনাফের বাড়ির দরজা

Also Read: মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে ফের গোলাগুলি, এপারে আতঙ্ক

Also Read: মিয়ানমার সীমান্তে লাগাতার গোলাগুলি, নাইক্ষ্যংছড়ির ৫ স্কুলে ‘ছুটি’