১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩
সাবেক সভাপতি, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)
পেশা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু মানুষের প্রয়োজনের সামনে কোনো পেশাই একক বা সর্বেসর্বা নয়। নিজের পেশাকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে গিয়ে অন্য পেশাকে ছোট করার মধ্যে শিক্ষার কোনো কৃতিত্ব নেই।
একটা সময় দেশের সব উন্নয়ন প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণে একক দায়িত্ব পালন করত গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; কিন্তু এখন আর তা নেই। এখন সকল মন্ত্রণালয়ই তাদের নিজেদের নির্মাণ নিজেরাই করে। কারণ, এত লাভজনক ব্যবসা অন্যের হাতে তুলে দিলে নিজেদের চলবে কীভাবে?
যে জেলায় একটা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আছে, সেখানে আলাদা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় না করে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা কৃষি ফ্যাকাল্টি খুললেই যে উদ্দেশ্য পূরণ হয়, তা আমাদের শিক্ষিত সমাজ জানেন না, এটা বিশ্বাস করা কষ্টকর।
অতীত ইতিহাস বলে, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়ই পূর্বনির্ধারিত পথে চলে না। তবু অন্তর্বর্তী সরকার কেন একের পর এক দায়িত্ব নতুন সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে যাচ্ছে—এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন।
সড়ক সম্প্রসারণে ও নতুন নির্মাণে গাছ কাটার প্রতিযোগিতা সাধারণ মানুষ আন্দোলন করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে, এমন কোনো নজির দেশে খুব একটা নেই।
অন্যায় কার প্রতি হচ্ছে রাম না রহিম, সেটা দেখে যদি প্রতিবাদ, প্রতিরোধের ধরন নির্ধারিত হয় তাহলে অভয়নগরের ভয় সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে খুব বেশিদিন লাগবে কি?