১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
“চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,” বলেন প্রতিমন্ত্রী।
গত এক সপ্তাহের ভারি বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। সাত জেলায় এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬ লাখ ৯ হাজারের বেশি। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে।
সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে শনিবার সন্ধ্যায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে।
টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়া ছাড়াও জেলা শহরও ডুবে আছে। বেশকিছু স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী বেশিরভাগ এলাকাই এখন পানিতে তলিয়ে।
সরকারের হিসাবে, দেশের সাত জেলার ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে।
“স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সচেতনতা তৈরিতে সহায়তা করলে ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে ঘর করে দেওয়া হবে,” বলেন ত্রাণমন্ত্রী।
বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে আরো ১৪ জেলা।
টানা ভারি বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দীঘিনালা-সাজেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে যান চলাচল। ভূমিধসের শঙ্কায় সাজেক ভ্যালির সব পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। একই কারণে বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রও ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।