১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বান্দরবানে ঘরছাড়া মানুষেরা ফিরছে: আইএসপিআর

ঘরছাড়া ২৮ পরিবারের মধ্যে ১৫টি পরিবার ফিরেছে, বলছে আইএসপিআর।

বান্দরবানে ঘরছাড়া মানুষেরা ফিরছে: আইএসপিআর
বান্দরবানে নিজ এলাকায় ফেরা মানুষদের স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। ছবি: আইএসপিআর।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 15 Feb 2025, 10:50 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:50 AM

পাহাড়ে সশস্ত্র কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বা ‘বম পার্টির’ তৎপরতায় বান্দরবানের যারা ঘর ছেড়েছিলেন, ২৩ মাস পর তারা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় থানচির বাকলাই পাড়ার ২৮ পরিবারের মধ্যে ১৫টি পরিবারের ৮১ জন নিজে বাড়িতে ফিরেছেন বলে আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

আইএসপিআর বলছে, বান্দরবান জেলার রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি এলাকায় কেএনএফের সশস্ত্র তৎপরতার কারণে ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে নিরাপত্তাহীনতার পরিস্থিতিতে গ্রাম ছাড়েন অনেকে। কুকি চিনের হাত থেকে রেহাই পেতে শিশুসহ পরিবার-পরিজন নিয়ে এতদিন তারা দুর্গম পাহাড় ও জঙ্গলে ক্ষুধা-আতঙ্কে দিন কাটান।

ফিরে আসা পরিবারগুলোর জন্য মধ্যাহ্ন ভোজ, মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা, শিশুদের শিক্ষা উপকরণ ও টিউশন ফি এবং রেশন সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছে আইএসপিআর।

কেএনএফকে পাহাড়িরা ‘বম পার্টি’ নামে চেনে। তাদের সক্রিয় হওয়ার খবর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও রয়েছে। তবে দলটির সংগঠকরা এখনও অধরা।

জুম্ম জাতীয়তাবাদী নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা (এমএন লারমা) গঠিত জনসংহতি সমিতি ভেঙে কয়েকটি দলের সক্রিয়তা রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে। তার মধ্যেই কেএনএফ বেশ সক্রিয়।

কেএনএফ নিজেদের পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক অঞ্চলের অনগ্রসর জনজাতিগুলোর ‘প্রতিনিধিত্বকারী’ হিসেবে তুলে ধরছে। তারা ‘কুকি-চিন রাজ্যে’ নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল চাইছে; যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরারা থাকবে না, থাকবে বম, খিয়াং, পাংখুয়া, লুসাই, খুমি ও ম্রোরা।

আরও পড়ুন-

পাহাড়ে সশস্ত্র দল; এই 'বম পার্টি' কারা?