১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গুলশানের সেই বাড়ি ছাড়তে হবে সালাম মুর্শেদীকে

তিন মাসের মধ্যে বাড়িটি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বরাবর হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

গুলশানের সেই বাড়ি ছাড়তে হবে সালাম মুর্শেদীকে

আব্দুস সালাম মুর্শেদী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Mar 2024, 02:14 PM

Updated : 19 Mar 2024, 02:16 PM

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে তিন মাসের মধ্যে গুলশানের বাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। 

জনস্বার্থে করা একটি রিট আবেদনের দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করে। 

রায়ের অনুলিপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সালাম মুর্শেদীকে গুলশানের বাড়ি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে। 

সেই সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে বাড়িটি বুঝে পাওয়ার পর আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে রায়ে। 

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট অনীক আর হক, দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আল খান, রাজউকের পক্ষে শুনানি করেন সাঈদ আহমেদ রাজা। সালাম মুর্শেদীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাফুফে সহসভাপতি সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশান-২ এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর বাড়িটি ‘পরিত্যক্ত সম্পত্তি’ দাবি করে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর সেই আবেদনে দুদক, রাজউক ও গণপূর্ত বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের সেখানে বিবাদী করা হয়।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর রুল জারি করে হাই কোর্টের এই বেঞ্চ। সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় সেখানে।

সেইসঙ্গে এ সম্পত্তি সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে রাজউক, গণপূর্ত বিভাগ ও সালাম মুর্শেদীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর বাড়িটি সম্পর্কিত কাগজপত্র হাই কোর্টে দাখিল করা হয়। এরপর ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি বাড়িটি নিয়ে রাজউকের প্রতিবেদন হাই কোর্টে দাখিল করে বলা হয়, বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় নেই। ওই বাড়ির নকশাও (মূল লে আউট প্ল্যান) আদালতে জমা দেয় রাজউক।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রিটের পক্ষে শুনানিতে অ্যাডভোকেট অনীক আর হক ও সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছিলেন, হাই কোর্টে রাজউক ও দুদকের দাখিল করা প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে, গুলশানে সালাম মুর্শেদী যে বাড়িতে বাস করছেন সেটা রাষ্ট্রের সম্পত্তি। এই বাড়িতে তিনি এখন এক মুহূর্তও থাকতে পারেন না।

এরপর গত ৩ মার্চ মামলার শুনানি শেষ হয়।

পুরনো খবর

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি: রায়ের দিন পেছাল

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি: পরবর্তী শুনানি রোববার

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি নিয়ে তদন্তে দুদককে আরও সময়

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি নিয়ে রুলের শুনানি ২৫ ফেব্রুয়ারি

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি নিয়ে ‘জালিয়াতির তথ্য’ দুদকের প্রতিবেদনে

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ, সঙ্গে হুঁশিয়ারি

পুরানো খবর:

৩০০ কোটি টাকার বাড়িতে অবৈধভাবে সালাম মুর্শেদীর বসবাস: ব্যারিস্টার সুমন

পুরানো খবর:

সালাম মুর্শেদীর সেই বাড়ির নথি হাই কোর্টে দাখিলের নির্দেশ