৭ গোলের ধ্রুপদী লড়াইয়ে জিতে ওলমো বলেন, ‘এটাই ফুটবল’
সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জয়ের পর দর্শকদেরও কৃতিত্ব দিলেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
কেবল স্পেন নয়, সম্ভবত ইউরোপীয় ফুটবলেই গত কিছু দিনে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দ ‘রেমনতাদা।’ কিন্তু আর্সেনালের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরে আসার গল্পে নতুন কোনো অধ্যায় যোগ করতে পারেনি রেয়াল মাদ্রিদ। সপ্তাহ না ঘুরতে লা লিগায় তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা দেখাল, কীভাবে ফিরে আসতে হয়। এতে বড় ভূমিকা রাখা দানি ওলমো উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, এটাই ফুটবল।
ঘরের মাঠে শনিবার ৪-৩ ব্যবধানে জিতে রেয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়িয়েছে বার্সেলোনা। ৩২ ম্যাচে দলটির পয়েন্ট ৭৩, এক ম্যাচ কম খেলা রেয়ালের ৬৬।
লামিনে ইয়ামাল ও ওলমো ৫৯তম মিনিটে মাঠে নামার সময় ২-১ গোলে পিছিয়ে ছিল বার্সেলোনা। তিন মিনিট পর ব্যবধান হয় ৩-১।
ইয়ামালের দারুণ সব ক্রস আর ওলমোর চমৎকার ফিনিশিংয়ে লড়াইয়ে ফেরে বার্সেলোনা। পরে রাফিনিয়ার জোড়া গোলে জয় পায় দলটি।
চোট কাটিয়ে এই ম্যাচ দিয়েই মাঠে ফিরলেন ওলমো। ফেরার ম্যাচ রাঙানো স্প্যানিশ উইঙ্গার জয়ের জন্য কৃতিত্ব দিলেন গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদেরও।
“এটাই ফুটবল। আমরা এই ম্যাচ জিততে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা সবসময় নিজেদের সেরা পর্যায়ে ছিলাম না। তবে শেষ পর্যন্ত দল জিতেছে এবং সমর্থকরা শেষ বাঁশি পর্যন্ত আমাদের উৎসাহ জুগিয়েছে।”
“লক্ষ্য অর্জনে আমরা আরও তিনটি পয়েন্ট পেলাম, এভাবেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”
বার্সেলোনার ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু ওলমোর হাত ধরে। এর আগ পর্যন্ত আক্রমণে কার্যকর হতে পারছিল না হান্সি ফ্লিকের দল। শট লক্ষ্যে রাখতে ভুগছিল। রাফিনিয়ার ক্রসে গোলরক্ষককে একা পেয়ে ৬৪তম মিনিটে জাল খুঁজে নেন ওলমো।
“তিনি (কোচ হান্সি ফ্লিক) আমাকে বলেছিলেন, আমাদের আরেকটু শান্ত হয়ে খেলা প্রয়োজন। আমাদের স্রেফ নিজেদের মধ্যে আরেকটু ভালোভাবে সংযুক্ত হতে হবে।”
