২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের সঙ্গে হাতের লেখার মিল না পাওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদকের অভিযোগপত্রে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।
আত্মসমর্পণ করা বাকি তিন আসামি জামিন পেলেও আহমেদ জোবায়ের পাননি।
চক্রটি জেমিনাই এআই ব্যবহার করে গুগল, ইউটিউব ও মার্কিন পোস্টাল সার্ভিস ও নিউ ইয়র্কের টোল সেবার মতো বিভিন্ন সরকারি কোম্পানির হুবহু নকল ওয়েবসাইট তৈরি করেছিল।
ভুয়া মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি কার্ডটির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন, যাতে সকল ওটিপি তার কাছে পৌঁছায়।
মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী ও নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে।
“আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে দীর্ঘদিন ধরে অসদুপায়ে জন্মনিবন্ধন তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।”
তাদের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা হয়েছে।