আরেক দফা রিমান্ডে মামুন খালেদ ও আফজাল নাছের
এ নিয়ে শেখ মামুনকে পঞ্চম দফা ও আফজাল নাছেরকে চতুর্থ দফায় রিমান্ডে নেওয়া হলো।
বিএনপির কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদকে এক দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।
একই মামলায় দুই দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে সংস্থাটির সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরকে।
রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ রিমান্ডের আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রুকনুজ্জামান রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।
গেল ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল মিরপুর এলাকা থেকে শেখ মামুনকে গ্রেপ্তার করে।
পরের দিন দেলোয়ার হত্যা মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর গেল ৩১ মার্চ ছয় দিন এবং ৬ এপ্রিল তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। আর ৯ এপ্রিল তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় মকবুল হত্যা মামলায়।
এদিকে ২৯ মার্চ রাতে ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে সেনাবাহিনীর সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন জুলাই আন্দোলনের সময়কার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে ৬ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
এরপর মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ এপ্রিল তিন দিন এবং ৮ এপ্রিল তাকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেয় আদালত।
রিমান্ড শেষে রোববার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই কফিল উদ্দিন। মামুন খালেদের একদিন এবং আফজাল নাছেরের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। মামুন খালেদের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন ও নজরুল ইসলাম পাখি এবং আফজাল নাছেরের পক্ষে তোফাজ্জল হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন।
শুনানি শেষে মামুন খালেদের এক দিন এবং আফজাল নাছেরের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয় আদালত।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর এক দফা দাবিতে কর্মসূচি দেয় বিএনপি। এর আগে ৭ ডিসেম্বর ডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযানে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। কার্যালয়ের পাশে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় মাহফুজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন।
