Published : 09 Jul 2026, 08:56 PM
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন করা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত এর গুরুত্ব মাথায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, “গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হচ্ছে, সব আলোচনাতো দৃশ্যমান নয়, আলোচনাতো চলতে থাকে।
“যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হচ্ছে, সে আলোচনায় আমি বিশ্বাস করি, গঙ্গা চুক্তির গুরুত্বটা এবং গঙ্গার পানির গুরুত্বটা ভারত বুঝতে পারে এবং সেটা বিবেচনায় রেখে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কটাকে যেন কোনো রকমভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটা মাথায় রেখেই ভারত সিদ্ধান্ত নিবে।”
তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে এখনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ ও ভারত। এর মধ্যেই দুই দেশের ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে।
গঙ্গার পানি বণ্টনে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সঙ্গে ৩০ বছরের চুক্তি করে। সমঝোতা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ফারাক্কা থেকে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন করা হয়ে থাকে।
৪০ বছরের গড় মাত্রা অনুযায়ী ভারত পানির ভাগ পায়। যেকোনো সংকটের সময় বাংলাদেশকে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি সরবরাহ করার নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়।
দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা মনে করি যে, এটা ইতিবাচক দিকেই আগাচ্ছে। গঙ্গাচুক্তির বেশি সময় নাই, কিন্তু আমাদের যে টিম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন, সেই টিম সেই কমিটিতো কাজ করছে ভারতের সঙ্গে।”