২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
“সব আলোচনাতো দৃশ্যমান নয়, আলোচনাতো চলতে থাকে,” বলেন শামা ওবায়েদ।
পশ্চিমবঙ্গে এখন আর মমতার সরকার নেই, তাহলে কি এবার কাটবে তিস্তার জট? নাকি আবারও কূটনীতির বেড়াজালে আটকে যাবে উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘশ্বাস? চীনের ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বনাম ভারতের নিরাপত্তা সমীকরণ—কোন পথে হাঁটবে বাংলাদেশ?
“বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার এবং দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এই চুক্তির মাধ্যমে এক ‘বড় পরীক্ষার’ মুখোমুখি হবে।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও তিস্তা চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, তিস্তাপাড়ের মানুষের ‘বাঁচা-মরার’ প্রশ্নে ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তির জন্য অপেক্ষায় থাকতে চায় না বাংলাদেশ সরকার। বরং এই প্রান্তের উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নিতে চীনের সঙ্গে আলোচনা চালাতে আগ্রহী।
তিস্তা থেকে গঙ্গা, অনুপ্রবেশ থেকে এনআরসি—পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ব্যালটে লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আগামী দিনের সম্পর্কের সমীকরণ।
“নদীর পানি কেবলমাত্র রাজনীতি না, এটি কূটনীতি, অর্থনীতিও”, বলেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।