ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার ভোটের অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র
এ নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতার ভবিষ্যৎ।
রাষ্ট্রক্ষমতার লাগাম কার হাতে কতটুকু থাকবে, সেই ভারসাম্য ঠিক করে দিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছেন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ।
মঙ্গলবারের এ নির্বাচন দুই বছরের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষাও; প্রেসিডেন্টের নীতি ও জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের গণভোটও বলা চলে।
ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসা ট্রাম্পের বাকি দুবছর কতটা প্রতাপের সঙ্গে কাটবে, তা এই নির্বাচনই বলে দেবে।
কংগ্রেসের দুই কক্ষেই বর্তমানে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি একটি কক্ষও বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের দখলে চলে যায়, তাহলে ওয়াশিংটনের ক্ষমতার ভারসাম্য সম্পূর্ণ বদলে যাবে; মুখ থুবড়ে পড়বে ট্রাম্পের বহু কর্মসূচি। আছে অভিশংসনের ঝুঁকিও।
নির্বাচনের খুঁটিনাটি ও আসন বিন্যাস
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস গঠিত নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) এবং উচ্চকক্ষ সেনেট নিয়ে।
প্রতিনিধি পরিষদের সবকটি অর্থাৎ ৪৩৫টি আসনেই নির্বাচন হচ্ছে। বর্তমানে এই কক্ষে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও ব্যবধান সামান্যই।
সেনেটে ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হবে। বর্তমানে সেনেটে ৫৩-৪৭ ব্যবধানে রিপাবলিকানরা এগিয়ে রয়েছে।
কংগ্রেসের পাশাপাশি ৩৯টি রাজ্য ও অঞ্চলে গভর্নর পদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রভাব
ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ক্ষমতাসীন দলের আসন হারানোর একটি প্রবণতা দেখা যায়, যাকে এক ধরনের 'সতর্কবার্তা' বা ‘ওয়েক আপ’ কল হিসেবে দেখা হয়।
এবার বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির বিরোধিতা করে কংগ্রেসে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরিয়ে আনতে মরিয়া।
অন্যদিকে ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান দল কংগ্রেসে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ব্যাপক প্রচার চালিয়েছে।
কংগ্রেসের জন্য এ নির্বাচন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
দুই বছর মেয়াদি নিম্নকক্ষের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতেই একযোগে ভোট হবে। বর্তমানে এই কক্ষে রিপাবলিকানদের আসন ২১৮টি, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সংখ্যা। আর ডেমোক্র্যাটদের আসন সংখ্যা ২১৪টি। এর সঙ্গে ১টি স্বতন্ত্র এবং কিছু আসন শূন্য আছে।
ফলে রিপাবলিকানদের হাত থেকে মাত্র তিনটি আসন ছিনিয়ে নিতে পারলেই প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে ডেমোক্র্যাটদের হাতে।
সেনেটের ১০০ সদস্যের সেনেটে আইনপ্রণেতাদের মেয়াদ ছয় বছর। তবে প্রতি দুই বছর পর পর এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হয়। এবার সেনেটের ৩৫টি আসনের মধ্যে ১৭টি জিতলেই ৫১টি হয়ে যাবে ডেমোক্র্যাটদের।
কংগ্রেস ডেমোক্র্যাটদের দখলে গেলে কী হবে?
কংগ্রেসে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, তারাই গুরুত্বপূর্ণ সব কংগ্রেস কমিটির নেতৃত্ব দেবে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করবে।
হোয়াইট হাউজে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প থাকা অবস্থায় কংগ্রেস যদি ডেমোক্র্যাটদের দখলে যায়, তাহলে ট্রাম্পের একচ্ছত্র ক্ষমতায় লাগাম পড়বে।
যদিও কংগ্রেসের কোনও কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের ইচ্ছামতো নতুন আইন করতে পারবে না। কারণ, মার্কিন সেনেটে যেকোনও বড় বিল পাস করতে সাধারণত ৬০ ভোটের প্রয়োজন হয় (ফিলিবাউস্টার বা সংসদীয় বাধা এড়াতে)।
যদি কোনো দলের কাছে ৬০ ভোট না থাকে, তবে বিরোধী দল অন্তহীন বিতর্ক বা ফিলিউবাস্টার চালু রেখে বিলটি ভোট গ্রহণের পর্যায়ে যেতে দেয় না। ফলে বিলটি সেখানেই আটকে যায়।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান কোনো দলের পক্ষেই সেনেটে এককভাবে ৬০টি আসন পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
ফলে ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পায়ও, তবুও বড় কোনও আইন পাস করতে হলে তাদের বিরোধী পক্ষের অন্তত কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটরের সমর্থন পেতেই হবে।
তবে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে কোনো বিল পাস হলেও প্রেসিডেন্টের ভিটো ক্ষমতা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের ভিটো বাতিল করে বিলটিকে আইনে পরিণত করতে হলে প্রতিনিধি পরিষদ এবং সেনেট উভয় কক্ষেই আলাদাভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে।
কিন্তু প্রেসিডেন্টের ভিটোকে বাতিল করতে শাসক দলের কংগ্রেস সদস্যদেরও বড় অংশকে বিরোধী দলের সাথে হাত মেলাতে হয়, যা রাজনৈতিকভাবে খুব একটা ঘটে না।
তবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ভিটো বাতিলের বিরল ঘটনা ঘটেছিল ১ জানুয়ারি, ২০২১ সালে। তৎকালীন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভিটোর পরও মার্কিন কংগ্রেস দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করিয়েছিল।
ডেমোক্র্যাটরা যদি এবারের নির্বাচনে কংগ্রেসে (বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদে) সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তবে তাদের প্রধান শক্তি নতুন আইন তৈরি করা নয়, বরং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিতর্কিত নীতি ও বাজেট আটকে দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে।
ট্রাম্পের যে কোনো বিতর্কিত নীতি বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা তদন্ত শুরু করতে পারবে। হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং অভ্যন্তরীন নথিপত্র জনসম্মুখে আনতে বাধ্য করতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিচালনার জন্য প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা থাকলেও, অর্থের চাবিকাঠি থাকে কংগ্রেসের হাতে। তাই ডেমোক্র্যাটদের জন্য ট্রাম্পের ইচ্ছামতো আইন ও বাজেট পাস হতে না দেওয়াটাই হবে আগামী দুই বছরে তাদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিজয়।
কেবল সেনেটের হাতেই কেন্দ্রীয় বিচারক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ অনুমোদনের সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে।
সেনেট ডেমোক্র্যাটদের দখলে গেলে ট্রাম্প মেয়াদের শেষ দুই বছরে পছন্দের কাউকে সুপ্রিম কোর্ট বা গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক পদে বসাতে পারবেন না।
সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার অধিকার কংগ্রেসের। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সামরিক অভিযান পরিচালনার খরচ আটকে দিতে কিংবা ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজ্যুলেশন’ পাসের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতা খর্ব করতে পারে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস।
তাছাড়া, ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেলে তারা এককভাবেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে কোনও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বা সাংবিধানিক লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিশংসন বিলও পাস করতে পারবে।
কংগ্রেস রিপাবলিকানদের দখলে থাকলে কী হবে?
বর্তমানে হোয়াইট হাউজে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আছেন। তাই কংগ্রেসও তাদের দখলে থাকলে ট্রাম্পের ক্ষমতা ও রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের গতি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা বা তদন্তের ভয় না থাকায় ট্রাম্প প্রশাসন তাদের নীতিমালা দ্রুতই আইনে পরিণত করতে পারবে।
মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণে বিপুল বাজেট বরাদ্দ এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নে আরও কঠোর আইন সহজে পাস হবে।
ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কর্মসূচি করপোরেট কর আরও কমানো এবং ২০২৫ সালের ট্যাক্স হ্রাসের (‘ট্যাক্স কাটস অ্যান্ড জবস অ্যাক্ট’ কর ছাড় আইন) মেয়াদ বাড়ানো—খুব সহজেই সম্পন্ন হবে।
ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ফেডারেল ভোটার আইডি আইন ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাসের পথ সুগম হবে।
মার্কিন সেনেটের কাজ হল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, ফেডারেল বিচারক এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া।
সেনেট রিপাবলিকানদের দখলে থাকলে ট্রাম্প তার পছন্দমতো অতি-রক্ষণশীল বিচারকদের বিচার বিভাগে নিয়োগ দিতে পারবেন। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের আনা আগের সব তদন্ত ও জেরা বন্ধ হয়ে যাবে।
রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাট নেতাদের বিভিন্ন নীতি বা জো বাইডেন প্রশাসনের আমলের পুরোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নতুন করে সংসদীয় তদন্ত শুরু করতে পারবে।
কংগ্রেসের হাতে দেশের অর্থের চাবিকাঠি। সেখানে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রণ থাকলে ট্রাম্পের "আমেরিকা ফার্স্ট" নীতি অনুযায়ী বৈদেশিক সাহায্যর বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হতে পারে।
ইউক্রেইন বা অন্যান্য দেশের সামরিক ও আর্থিক সাহায্য কমিয়ে দেওয়া বা শর্তসাপেক্ষ করা হতে পারে। মার্কিন অভ্যন্তরীন সামরিক ও প্রতিরক্ষা বাজেট আরও বাড়তে পারে।
ট্রাম্পের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য এই নির্বাচন বাঁচা-মরার লড়াই। কারণ, মধ্যবর্তী নির্বাচন কার্যত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তার প্রশ্নে ‘গণভোট’।
গ্যালপ জরিপের ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, যেসব প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা ৫০ শতাংশের নিচে থাকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাদের দল প্রতিনিধি পরিষদে গড়ে ৩৭টি আসন হারায়।
বর্তমানে ট্রাম্পের রেটিং নেমে এসেছে মাত্র ৩৭ শতাংশে, যা রিপাবলিকানদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।
কর্মসূচি বাস্তবায়ন বনাম অচলাবস্থা
গত দুই বছর হোয়াইট হাউজ ও কংগ্রেস একদলের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কর সংস্কার বা সীমান্ত সুরক্ষার মতো ট্রাম্পের নিজস্ব নীতিগুলো সহজে পাস হয়েছে।
কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেলেই স্বাস্থ্যসেবা খাতের বাজেট ছাঁটাই ও ট্রাম্পের শুল্কনীতি বড় ধরনের আইনি অচলাবস্থার মুখে পড়বে।
কমিটির তদন্ত ও সমন জারির ক্ষমতা
প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ডেমোক্র্যাটরা সব গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটির শীর্ষ পদ পাবে।
এসব কমিটির রয়েছে সমন জারি করে গোপন নথিপত্র তলব ও শুনানিতে ডাকার আইনি ক্ষমতা। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প পরিবার ও তার বিতর্কিত আর্থিক লেনদেনের বিরুদ্ধে নতুন তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।
তৃতীয় দফা অভিশংসনের ঝুঁকি
প্রতিনিধি পরিষদে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব পাস করা যায়।
ট্রাম্প নিজেও নির্বাচনী প্রচারে সমর্থকদের সতর্ক করে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হলে তাকে তৃতীয়বারের মতো অভিশংসনের মুখে ঠেলে দেওয়া হতে পারে।
‘লেম ডাক’ সংকট ও ২০২৮-এর সমীকরণ
মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, ট্রাম্প আর কখনও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারবেন না।
ফলে এই নির্বাচনে কংগ্রেসের রাশ হাতছাড়া হলে ট্রাম্প কার্যত একজন ক্ষমতাহীন বা ‘লেম ডাক’ প্রেসিডেন্টে পরিণত হবেন।
২০২৮ সালের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রিপাবলিকান দলের অনেক আইনপ্রণেতাই তখন জনমত রক্ষায় ট্রাম্পের প্রকাশ্য বিরোধিতা শুরু করতে পারেন।
নানা চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত সরকার সচল রাখতে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আপস বা চুক্তি করতে বাধ্য হতে পারেন।
সংবিধান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে একজন প্রেসিডেন্ট দুই মেয়াদের বেশি দায়িত্বে থাকতে পারেন না।
তবে ট্রাম্প সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেছেন, সুযোগ থাকলে তিনি ২০২৮ সালেও আবার নির্বাচনে দাঁড়াতেন। কিন্তু নিয়ম না থাকায় ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে তার বর্তমান মেয়াদ শেষের পর তাকে হোয়াইট হাউজ ছাড়তেই হবে
মঙ্গলবারের ভোটের পর যদি কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হয়, তবে ট্রাম্পের বাকী মেয়াদে তার ক্ষমতা অর্ধেক কমবে এবং তিনি বড় ধরনের রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়বেন।
আর রিপাবলিকানরা জিতলে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাকি দুই বছর দেশ শাসন করবেন।
আরও পড়ুন
