১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
“যা আমরা কিউবার সঙ্গে করছি, তা কেউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করলে অবশ্যই আমরা সেটাকে যুদ্ধ ঘোষণা গণ্য করতাম,” বলেছেন ডেমোক্র্যাট সেনেটর টিম কেইন।
মার্কিন সংবিধানের ধারা ২ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কেবল তাৎক্ষণিক হুমকি মোকাবেলায় আত্মরক্ষার্থে হামলা চালানোর সুযোগ পান। নাহলে একমাত্র কংগ্রেসেরই যুদ্ধ ঘোষণার এখতিয়ার থাকে।
প্রতিনিধি পরিষদে ২১৮-২১৪ ভোটে বিলটি পাস হয়েছে, সেনেটে পক্ষে-বিপক্ষে ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ১।
সেনেটে বিলটি নিয়ে ২৪ ঘণ্টার বিতর্ক শেষে ভোট হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের টাই ব্রেকিং ভোটেই শেষ পর্যন্ত পাস হয় এ বিল।
বিলটি আইনে পরিণত হলে এর হাত ধরে ফেডারেল করের পরিমাণ কমবে, সামরিক খাত ও সীমান্ত নিরাপত্তায় ব্যয় বাড়বে এবং মেডিকেইডের মতো কর্মসূচিতে কম ব্যয় হবে।
“একটি শক্তিশালী ও নীতিবান বিরোধী দল গঠনে আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে সব নাগরিককে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি,” বলেন সারা দুতের্তে।
তিনি এ দায়িত্বে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত।
মার্কিন সেনেটের অনুমোদন পেলে আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের সাবেক কর্মকর্তা হেগসেথই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রতিরক্ষামন্ত্রী।